শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

পৈতৃক সম্পত্তি বেচে রাজনীতি করি: ফখরুল

#
news image

বিএনপি নেতাদের টাকার উৎস নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা পৈতৃক সম্পত্তি বেচে রাজনীতি করি। নেতাকর্মীদের নিজেদের দেওয়া চাঁদার টাকায় সমাবেশ করা হচ্ছে। কিন্তু আপনারা (আওয়ামী লীগ) কী করেন, তা সবাই জানে।’

রোববার (৩০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথসভায় অংশ নেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, আমি নাকি দুবাই থেকে টাকা পাই, টাকার ওপর ঘুমাই। বেশি ঘাটবেন না, বেশি ঘাটলে কেঁচো বেরিয়ে আসবে।’

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দিস ইজ ভেরি আনফরচুনেট.. ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। সামাল দিতে পারবেন না। কার কয়টা বাড়ি, কার কত টাকা আছে, সবাই জানে। এত টাকা কোথা থেকে আসে? আমি ব্যক্তিগত আক্রমণে যেতে চাই না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’

১৫ বছরের শাসনামলে দেশে অর্থনীতিকে আওয়ামী লীগ সরকার ভাগাড়ে নিয়ে পরিণত করেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। এটা আমার কথা নয়, খোদ প্রধানমন্ত্রীর কথা।’

ফখরুল আরও বলেন, রাজনীতির অধিকারের কোনো স্পেস নেই। সব নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। জাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নির্বাচনকালীন ৯০ দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে। এটাকে বাতিল করেছে আওয়ামী লীগ। এখন তারা বলে বেড়ান, এটা তারা বাতিল করেননি, আদালত করেছেন।

তিনি বলেন, টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ জনগণকে বোকা বানাতে চায়। উন্নয়নের গল্প শোনায়। এত উন্নয়ন করেছেন, তাহলে ভয় পান কেন? কারণ আপনারা ভালো করেই জানেন যে দুর্নীতি করেছেন, তাতে ভোটের মাধ্যমে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।’

এসময় গায়েবি মামলায় আওয়ামী লীগের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা সরাফত আলী সপু, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সুলতানা রহমান, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক মুনায়েম মুন্না প্রমুখ।

অনলাইন ডেস্ক

৩০ অক্টোবর, ২০২২,  11:29 PM

news image

বিএনপি নেতাদের টাকার উৎস নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা পৈতৃক সম্পত্তি বেচে রাজনীতি করি। নেতাকর্মীদের নিজেদের দেওয়া চাঁদার টাকায় সমাবেশ করা হচ্ছে। কিন্তু আপনারা (আওয়ামী লীগ) কী করেন, তা সবাই জানে।’

রোববার (৩০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথসভায় অংশ নেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, আমি নাকি দুবাই থেকে টাকা পাই, টাকার ওপর ঘুমাই। বেশি ঘাটবেন না, বেশি ঘাটলে কেঁচো বেরিয়ে আসবে।’

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দিস ইজ ভেরি আনফরচুনেট.. ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। সামাল দিতে পারবেন না। কার কয়টা বাড়ি, কার কত টাকা আছে, সবাই জানে। এত টাকা কোথা থেকে আসে? আমি ব্যক্তিগত আক্রমণে যেতে চাই না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’

১৫ বছরের শাসনামলে দেশে অর্থনীতিকে আওয়ামী লীগ সরকার ভাগাড়ে নিয়ে পরিণত করেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। এটা আমার কথা নয়, খোদ প্রধানমন্ত্রীর কথা।’

ফখরুল আরও বলেন, রাজনীতির অধিকারের কোনো স্পেস নেই। সব নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। জাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নির্বাচনকালীন ৯০ দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে। এটাকে বাতিল করেছে আওয়ামী লীগ। এখন তারা বলে বেড়ান, এটা তারা বাতিল করেননি, আদালত করেছেন।

তিনি বলেন, টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ জনগণকে বোকা বানাতে চায়। উন্নয়নের গল্প শোনায়। এত উন্নয়ন করেছেন, তাহলে ভয় পান কেন? কারণ আপনারা ভালো করেই জানেন যে দুর্নীতি করেছেন, তাতে ভোটের মাধ্যমে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।’

এসময় গায়েবি মামলায় আওয়ামী লীগের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা সরাফত আলী সপু, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সুলতানা রহমান, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক মুনায়েম মুন্না প্রমুখ।