শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

খালেদা জিয়ার প্রার্থিতার সিদ্ধান্ত হবে আইনমাফিকঃ সিইসি

#
news image

সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি হাবিব আউয়াল বলেছেন, খালেদা জিয়ার নির্বাচনে দাঁড়ালে তখন আইনানুগভাবে খতিয়ে দেখা হবে, এখন আগাম বলার কিছু দেখছেন না তিনি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে কারাজীবন শুরু হয় খালেদা জিয়ার। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তার সাজার রায় হয়। তবে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়ে এখন বাসায় রয়েছেন।

আইন অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেই সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। সাজা খেটে মুক্তি পাওয়ার ৫ বছর আগে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।

দুই মামলায় ১০ বছর করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন একাদশ সংসদ নির্বাচনেও ভোটে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তা শেষ পযন্ত টেকেনি।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতারা আবারও আওয়াজ তুলেছেন, খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নেবেন। তার আইনজীবীরা বলছেন, সাজার বিরুদ্ধে খালেদার আপিলে দণ্ড স্থগিত হলে খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নিতে পারবেন।

তাদের কথার প্রতিক্রিয়ায় গত ১০ অক্টোবর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ফৌজদারি দুই মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়া আইন অনুসারে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ আছে কি না- এ প্রশ্নে সিইসি বুধবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, “এই বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর এখন দেব না। এটা যখন হবে দেখা যাবে। সব কিছু আইন অনুযায়ী হবে। এখন অ্যাডভান্স কোনো কথা বলতে পারব না।”

খালেদার আইনজীবীরা যা বলছেন, তা অবহিত নন বলে জানান সাবেক আইন সচিব হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, “এই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যিনি নির্বাচনে দাঁড়াবেন। আপনি দাড়াঁন যে-ই দাঁড়ান, আমরা তার বিষয়টি আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। আমাদের আইনের কিছু কাঠামো আছে। কেউ ভোট করতে চাইলে ওই কাঠামোর মধ্যে করতে হবে।”

“তিনি (খালেদা) আদৌ নির্বাচনে দাড়াঁলে আমরা সেটা আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। এখানে আইনগত দিক অগ্রিম কিছু বলার নেই। সময় আসুক, সব খতিয়ে দেখব, তখন সব জানাব। এখন এত আগে কোনো কথা বলা ঠিক নয়।”

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ ভাগে অথবা ২০২৪ সালের শুরুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক

০২ নভেম্বর, ২০২২,  11:39 PM

news image
ফাইল ফটো

সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি হাবিব আউয়াল বলেছেন, খালেদা জিয়ার নির্বাচনে দাঁড়ালে তখন আইনানুগভাবে খতিয়ে দেখা হবে, এখন আগাম বলার কিছু দেখছেন না তিনি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে কারাজীবন শুরু হয় খালেদা জিয়ার। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও তার সাজার রায় হয়। তবে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়ে এখন বাসায় রয়েছেন।

আইন অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেই সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। সাজা খেটে মুক্তি পাওয়ার ৫ বছর আগে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।

দুই মামলায় ১০ বছর করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন একাদশ সংসদ নির্বাচনেও ভোটে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তা শেষ পযন্ত টেকেনি।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতারা আবারও আওয়াজ তুলেছেন, খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নেবেন। তার আইনজীবীরা বলছেন, সাজার বিরুদ্ধে খালেদার আপিলে দণ্ড স্থগিত হলে খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নিতে পারবেন।

তাদের কথার প্রতিক্রিয়ায় গত ১০ অক্টোবর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ফৌজদারি দুই মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়া আইন অনুসারে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ আছে কি না- এ প্রশ্নে সিইসি বুধবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, “এই বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর এখন দেব না। এটা যখন হবে দেখা যাবে। সব কিছু আইন অনুযায়ী হবে। এখন অ্যাডভান্স কোনো কথা বলতে পারব না।”

খালেদার আইনজীবীরা যা বলছেন, তা অবহিত নন বলে জানান সাবেক আইন সচিব হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, “এই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যিনি নির্বাচনে দাঁড়াবেন। আপনি দাড়াঁন যে-ই দাঁড়ান, আমরা তার বিষয়টি আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। আমাদের আইনের কিছু কাঠামো আছে। কেউ ভোট করতে চাইলে ওই কাঠামোর মধ্যে করতে হবে।”

“তিনি (খালেদা) আদৌ নির্বাচনে দাড়াঁলে আমরা সেটা আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। এখানে আইনগত দিক অগ্রিম কিছু বলার নেই। সময় আসুক, সব খতিয়ে দেখব, তখন সব জানাব। এখন এত আগে কোনো কথা বলা ঠিক নয়।”

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ ভাগে অথবা ২০২৪ সালের শুরুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন।