শিরোনামঃ
মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে

রোজায় শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে উপকারী যেসব খাবার

#
news image

শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস।  তীব্র গরমের এই সময় সারাদিন রোজা রাখার কারণে অনেকেরই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাহরি-ইফতারে এমন কিছু খাবার রাখা উচিত যা সারাদিনের অনেকটা সময় শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে। যেমন-


শসা : শসায় ৯৫ শতাংশ পানি থাকে। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ থাকায় সারাদিন রোজা রাখলেও শরীরে শক্তি জোগাবে। এটি অন্ত্রের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণ করে।


তরমুজ : দিনের তাপমাত্রা উপবাসের সময় শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য পানির উপাদান সমৃদ্ধ ফল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।  তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। এটি শুধুমাত্র শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখে না হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে ও প্রদাহ কমায়।


ডাবের পানি : এই হালকা পরিষ্কার পানীয়টি ৯৪ শতাংশ জলীয় উপাদান দিয়ে গঠিত। এটি শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি কিডনিতে পাথর প্রতিরোধেও সাহায্য করে।


অল্প লবণযুক্ত খাবার : অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে শরীরে ঘাম হয় এবং শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে রমজানে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও, শরীরে যে লবণের প্রয়োজন তা ফল এবং সবজি থেকে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেতে পারে। তাই ভাজা নোনতা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।  
ফলের রস : যদিও তাজা ফল খাওয়া ভালো, ফলেরও রস তাৎক্ষণিকভাবে শরীরে শক্তি দেয়।  শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য এই সময় কমলা, আপেল থেকে শুরু করে পিচ ফল এবং যেকোন ধরনের তাজা ফলের রস খেতে পারেন। এই সময় লবণ এবং মসলা এড়ানোর চেষ্টা করুন।


দুধ : যদি একবারে বেশি পানি পান করতে না পারেন, তাহলে রোজায় খাদ্যতালিতায় দুধ যোগ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র পানিশূন্যতা রোধ করে তাই নয়, রোজায় সুস্থ থাকতে শরীরে ভাল পরিমাণে ক্যালসিয়াম দেবে।


দই : রোজায় পানিশূন্যতা রোধ করতে দইও ভাল। কারণ এতে ৮৮ শতাংশ পানি এবং প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাজা বেরির সাথে দই মিশিয়ে খেলে শরীরে আর্দ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শক্তিও বাড়ে।

প্রখ/ সাদ্দাম

অনলাইন ডেস্ক

০৯ এপ্রিল, ২০২২,  2:47 AM

news image

শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস।  তীব্র গরমের এই সময় সারাদিন রোজা রাখার কারণে অনেকেরই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাহরি-ইফতারে এমন কিছু খাবার রাখা উচিত যা সারাদিনের অনেকটা সময় শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে। যেমন-


শসা : শসায় ৯৫ শতাংশ পানি থাকে। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ থাকায় সারাদিন রোজা রাখলেও শরীরে শক্তি জোগাবে। এটি অন্ত্রের গতিবিধিও নিয়ন্ত্রণ করে।


তরমুজ : দিনের তাপমাত্রা উপবাসের সময় শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য পানির উপাদান সমৃদ্ধ ফল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।  তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। এটি শুধুমাত্র শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখে না হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে ও প্রদাহ কমায়।


ডাবের পানি : এই হালকা পরিষ্কার পানীয়টি ৯৪ শতাংশ জলীয় উপাদান দিয়ে গঠিত। এটি শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি কিডনিতে পাথর প্রতিরোধেও সাহায্য করে।


অল্প লবণযুক্ত খাবার : অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে শরীরে ঘাম হয় এবং শরীর আরও পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে রমজানে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও, শরীরে যে লবণের প্রয়োজন তা ফল এবং সবজি থেকে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেতে পারে। তাই ভাজা নোনতা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।  
ফলের রস : যদিও তাজা ফল খাওয়া ভালো, ফলেরও রস তাৎক্ষণিকভাবে শরীরে শক্তি দেয়।  শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য এই সময় কমলা, আপেল থেকে শুরু করে পিচ ফল এবং যেকোন ধরনের তাজা ফলের রস খেতে পারেন। এই সময় লবণ এবং মসলা এড়ানোর চেষ্টা করুন।


দুধ : যদি একবারে বেশি পানি পান করতে না পারেন, তাহলে রোজায় খাদ্যতালিতায় দুধ যোগ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র পানিশূন্যতা রোধ করে তাই নয়, রোজায় সুস্থ থাকতে শরীরে ভাল পরিমাণে ক্যালসিয়াম দেবে।


দই : রোজায় পানিশূন্যতা রোধ করতে দইও ভাল। কারণ এতে ৮৮ শতাংশ পানি এবং প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাজা বেরির সাথে দই মিশিয়ে খেলে শরীরে আর্দ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শক্তিও বাড়ে।

প্রখ/ সাদ্দাম