ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ আগস্ট, ২০২৬, 4:49 PM
ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ
ইপিজেডে স্ত্রী-আত্মীয়দের নামে কারখানা, বন্ড সুবিধা অপব্যবহার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে পুলিশ কর্মকর্তা
সরকারি চাকরির সুবাদে পাওয়া ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে আত্মীয়স্বজনের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সুপার এস. এম. শেখ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, সরকারি নথিপত্র এবং স্থানীয় অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন এক আর্থিক চক্রের ইঙ্গিত, যেখানে চাকরিরত অবস্থাতেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, রপ্তানিমুখী শিল্পের বন্ড সুবিধার অপব্যবহার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে গোপন বিনিয়োগের মতো অভিযোগ জড়িয়ে আছে তার নামের সঙ্গে।
২০২৬ সালের ২৫ জুন জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ প্রকাশিত "বেনামে পুলিশ কর্মকর্তার শিল্পপ্রতিষ্ঠান" শিরোনামের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ওই প্রতিবেদন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া অভিযোগপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) স্ত্রী ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নামে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
তথ্য অনুযায়ী, শেখ রফিকুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে সিআইডি কুমিল্লা এবং পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পিরোজপুর জেলায় বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি পিবিআই চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে, জুলাই গণআন্দোলনকে ঘিরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও দমনপীড়নের অভিযোগেও তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।
অনুসন্ধানে তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে—আদমজী ইপিজেডের অন্তর্গত মিকাইল প্লাস্টোপ্যাক লিমিটেড, কুমিল্লা ইপিজেডে অবস্থিত গ্রীন স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এবং খুলনার মংলা ইপিজেডে অবস্থিত হানসেং পেপার অ্যান্ড অ্যাকসেসোরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ। মালিকানা কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অংশীদারদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্যদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মিকাইল প্লাস্টোপ্যাক লিমিটেডের সাতজন অংশীদারের মধ্যে এসপি রফিকুল ইসলামের স্ত্রী উম্মে কুলসুম মুনমুন ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক । এছাড়া তার চাচাতো ভাই শরিফুল শেখ ১০ শতাংশ, খালাতো ভাই মো. মাসুম রহমান ১০ শতাংশ এবং বোনের দেবর গোলাম মোস্তফা ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
একইভাবে, গ্রীন স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চারজন মালিকের মধ্যে গোলাম মোস্তফার ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে মংলা ইপিজেডের হানসেং পেপার অ্যান্ড অ্যাকসেসোরিজ ইন্ডাস্ট্রিজে অংশীদার হিসেবে শরিফুল শেখের ১৫ শতাংশ এবং মামাতো ভাই আশরাফুল আলমের ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে বলে নথিপত্রে দেখা গেছে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় একই ঠিকানা থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম কার্যত স্থবির অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল প্রকৃত উৎপাদনে ব্যবহার না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কাগজে-কলমে রপ্তানি দেখানো হলেও বাস্তবে সেই কাঁচামাল স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যা প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রীয় রাজস্বের ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সম্পদ ঘোষণা বাধ্যতামূলক হলেও, স্ত্রীর নামে থাকা শিল্প মালিকানা এবং পারিবারিক বিনিয়োগ যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
এই কথিত নেটওয়ার্কের কেন্দ্রে রয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা শেখ তুহিন, যিনি এসপি রফিকুল ইসলামের আপন চাচাতো ভাই। কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা ২৭ বছর বয়সী এই তরুণের নামে ও বেনামে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে এই বিপুল সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, অল্প সময়ের মধ্যেই শেখ তুহিনের নামে একাধিক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে—নাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, নাহার এন্টারপ্রাইজ, নাহার ফ্যাশন হাউস, নাহার ডিজিটাল প্রিন্টিং এবং নাহার সিঅ্যান্ডএফ। পাশাপাশি কাশিয়ানীতে 'নাহার রিসোর্ট' ও 'নাহার হাউজিং' নামে বড় পরিসরের প্রকল্পও বাস্তবায়নাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগটি এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে—যেখানে দাবি করা হয়েছে, রফিকুল ইসলাম বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রেখে চলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, 'বিপ্লবী তহবিল' নামে একটি তহবিল গঠন করে বিটকয়েনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা হচ্ছে, আর এই পুরো কার্যক্রম চলছে সিগন্যাল, টেলিগ্রাম ও থ্রিমার মতো এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে, যাতে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ আগস্ট, ২০২৬, 4:49 PM
ইপিজেডে স্ত্রী-আত্মীয়দের নামে কারখানা, বন্ড সুবিধা অপব্যবহার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে পুলিশ কর্মকর্তা
সরকারি চাকরির সুবাদে পাওয়া ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে আত্মীয়স্বজনের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সুপার এস. এম. শেখ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, সরকারি নথিপত্র এবং স্থানীয় অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন এক আর্থিক চক্রের ইঙ্গিত, যেখানে চাকরিরত অবস্থাতেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, রপ্তানিমুখী শিল্পের বন্ড সুবিধার অপব্যবহার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে গোপন বিনিয়োগের মতো অভিযোগ জড়িয়ে আছে তার নামের সঙ্গে।
২০২৬ সালের ২৫ জুন জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ প্রকাশিত "বেনামে পুলিশ কর্মকর্তার শিল্পপ্রতিষ্ঠান" শিরোনামের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ওই প্রতিবেদন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া অভিযোগপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) স্ত্রী ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নামে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
তথ্য অনুযায়ী, শেখ রফিকুল ইসলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে সিআইডি কুমিল্লা এবং পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পিরোজপুর জেলায় বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি পিবিআই চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে, জুলাই গণআন্দোলনকে ঘিরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও দমনপীড়নের অভিযোগেও তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।
অনুসন্ধানে তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে—আদমজী ইপিজেডের অন্তর্গত মিকাইল প্লাস্টোপ্যাক লিমিটেড, কুমিল্লা ইপিজেডে অবস্থিত গ্রীন স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এবং খুলনার মংলা ইপিজেডে অবস্থিত হানসেং পেপার অ্যান্ড অ্যাকসেসোরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ। মালিকানা কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অংশীদারদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্যদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মিকাইল প্লাস্টোপ্যাক লিমিটেডের সাতজন অংশীদারের মধ্যে এসপি রফিকুল ইসলামের স্ত্রী উম্মে কুলসুম মুনমুন ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক । এছাড়া তার চাচাতো ভাই শরিফুল শেখ ১০ শতাংশ, খালাতো ভাই মো. মাসুম রহমান ১০ শতাংশ এবং বোনের দেবর গোলাম মোস্তফা ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
একইভাবে, গ্রীন স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চারজন মালিকের মধ্যে গোলাম মোস্তফার ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে মংলা ইপিজেডের হানসেং পেপার অ্যান্ড অ্যাকসেসোরিজ ইন্ডাস্ট্রিজে অংশীদার হিসেবে শরিফুল শেখের ১৫ শতাংশ এবং মামাতো ভাই আশরাফুল আলমের ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে বলে নথিপত্রে দেখা গেছে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় একই ঠিকানা থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম কার্যত স্থবির অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল প্রকৃত উৎপাদনে ব্যবহার না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কাগজে-কলমে রপ্তানি দেখানো হলেও বাস্তবে সেই কাঁচামাল স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যা প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রীয় রাজস্বের ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সম্পদ ঘোষণা বাধ্যতামূলক হলেও, স্ত্রীর নামে থাকা শিল্প মালিকানা এবং পারিবারিক বিনিয়োগ যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
এই কথিত নেটওয়ার্কের কেন্দ্রে রয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা শেখ তুহিন, যিনি এসপি রফিকুল ইসলামের আপন চাচাতো ভাই। কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা ২৭ বছর বয়সী এই তরুণের নামে ও বেনামে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে এই বিপুল সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, অল্প সময়ের মধ্যেই শেখ তুহিনের নামে একাধিক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে—নাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, নাহার এন্টারপ্রাইজ, নাহার ফ্যাশন হাউস, নাহার ডিজিটাল প্রিন্টিং এবং নাহার সিঅ্যান্ডএফ। পাশাপাশি কাশিয়ানীতে 'নাহার রিসোর্ট' ও 'নাহার হাউজিং' নামে বড় পরিসরের প্রকল্পও বাস্তবায়নাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগটি এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে—যেখানে দাবি করা হয়েছে, রফিকুল ইসলাম বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রেখে চলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, 'বিপ্লবী তহবিল' নামে একটি তহবিল গঠন করে বিটকয়েনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা হচ্ছে, আর এই পুরো কার্যক্রম চলছে সিগন্যাল, টেলিগ্রাম ও থ্রিমার মতো এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে, যাতে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা যায়।