শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

#
news image

বন্যার সময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট কিছু দুর্ঘটনায় সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে। এর মধ্যে শুধু পানিতে ডুবেই ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ১৭ মে থেকে আজ পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১০ জেলায় গত ৩৮ দিনে ৭৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে ২৬ জন, মৌলভীবাজারে ৩ জন এবং হবিগঞ্জে ২ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, নেত্রকোণা জেলায় ৮ জন, জামালপুর জেলায় ৬ জন এবং শেরপুর জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ৩ জনের।

রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রংপুর জেলায় কারো মৃত্যু হয়নি। কুড়িগ্রামে ৩ জন এবং লালমনিরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বন্যায় সারা দেশে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৭ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন, একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে পানিতে ডুবে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়।

চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৩৫ জন, মারা গেছেন ৮ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ জুন, ২০২২,  11:40 PM

news image

বন্যার সময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট কিছু দুর্ঘটনায় সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে। এর মধ্যে শুধু পানিতে ডুবেই ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ১৭ মে থেকে আজ পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১০ জেলায় গত ৩৮ দিনে ৭৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে ২৬ জন, মৌলভীবাজারে ৩ জন এবং হবিগঞ্জে ২ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, নেত্রকোণা জেলায় ৮ জন, জামালপুর জেলায় ৬ জন এবং শেরপুর জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ৩ জনের।

রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রংপুর জেলায় কারো মৃত্যু হয়নি। কুড়িগ্রামে ৩ জন এবং লালমনিরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বন্যায় সারা দেশে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৭ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন, একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে পানিতে ডুবে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়।

চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৩৫ জন, মারা গেছেন ৮ জন।