শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আগস্টে আমদানি কমেছে ২৫%

#
news image

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে স্থিতিশীল করতে এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) মার্জিনকে শতভাগে উন্নীত করার পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে আমদানি কমেছে ২৫%।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে এলসি পেমেন্ট হয়েছে ৫.৯৩ বিলিয়ন ডলার, যা জুলাইয়ে ছিল ৭.৪২ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমার আশঙ্কায় প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য সব ধরনের পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল দৈনন্দিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আমদানির জন্য ডলার বিক্রি করছে এবং অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এলসি মার্জিন আরোপ করায় এলসি পেমেন্ট ধীরে ধীরে কমে আসছে। 

এলসি খোলার পরিমাণও বর্তমানে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন গভর্নর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার সুফল এখন পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের আগস্টে আমদানিকারকরা ৫.৩১ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছেন, যা আগের মাসের ৬.২২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ১৭% কম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৬.৮৫ বিলিয়ন, ফেব্রুয়ারিতে ৬.৫৫ বিলিয়ন, মার্চে ৭.৬৭ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৬.৯৩ বিলিয়ন, মে মাসে ৭.২৫ বিলিয়ন এবং জুনে ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কোভিড-পরবর্তী দেশের রপ্তানির তুলনায় আমদানি বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের আকাশছোঁয়া দামের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যে রয়েছে। 

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় রেকর্ড ৩৩.২৫ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে, চলতি হিসাবের ঘাটতিও ১৮.৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডলারের ঘাটতিতে ভুগছে এমন ব্যাংকগুলো ২০২১-২২ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৬৬ হাজার ৬৫০ কোটি টাকায় ৭.৬২ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।

গতবছরের ধারাবাহিকতায় জুলাই থেকে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই ডলার সংকটে পড়েছে ব্যাংকগুলো।

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলাসবহুল পণ্যের পাশাপাশি কম প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি কমাতে এলসি মার্জিন বাড়ানোসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

একই সময়ে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে, যাতে জরুরি সরকারি আমদানি নিষ্পত্তিতে তা ব্যবহার করা যায়। 

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৪৭ দিনে ১৭ হাজার ৬০৩ কোটি টাকায় ১.৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  11:42 PM

news image

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে স্থিতিশীল করতে এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) মার্জিনকে শতভাগে উন্নীত করার পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে আমদানি কমেছে ২৫%।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে এলসি পেমেন্ট হয়েছে ৫.৯৩ বিলিয়ন ডলার, যা জুলাইয়ে ছিল ৭.৪২ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমার আশঙ্কায় প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য সব ধরনের পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল দৈনন্দিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আমদানির জন্য ডলার বিক্রি করছে এবং অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এলসি মার্জিন আরোপ করায় এলসি পেমেন্ট ধীরে ধীরে কমে আসছে। 

এলসি খোলার পরিমাণও বর্তমানে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন গভর্নর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার সুফল এখন পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের আগস্টে আমদানিকারকরা ৫.৩১ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছেন, যা আগের মাসের ৬.২২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ১৭% কম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৬.৮৫ বিলিয়ন, ফেব্রুয়ারিতে ৬.৫৫ বিলিয়ন, মার্চে ৭.৬৭ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৬.৯৩ বিলিয়ন, মে মাসে ৭.২৫ বিলিয়ন এবং জুনে ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কোভিড-পরবর্তী দেশের রপ্তানির তুলনায় আমদানি বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের আকাশছোঁয়া দামের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যে রয়েছে। 

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় রেকর্ড ৩৩.২৫ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে, চলতি হিসাবের ঘাটতিও ১৮.৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডলারের ঘাটতিতে ভুগছে এমন ব্যাংকগুলো ২০২১-২২ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৬৬ হাজার ৬৫০ কোটি টাকায় ৭.৬২ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।

গতবছরের ধারাবাহিকতায় জুলাই থেকে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই ডলার সংকটে পড়েছে ব্যাংকগুলো।

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলাসবহুল পণ্যের পাশাপাশি কম প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি কমাতে এলসি মার্জিন বাড়ানোসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

একই সময়ে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে, যাতে জরুরি সরকারি আমদানি নিষ্পত্তিতে তা ব্যবহার করা যায়। 

সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৪৭ দিনে ১৭ হাজার ৬০৩ কোটি টাকায় ১.৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।