শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

ফের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় সামিট গ্রুপের আজিজ খান

#
news image

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। এই তালিকায় ফের বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম উঠে এসেছে। শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এবার ৪২তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বন্দর, ফাইবার অপটিকস, অবকাঠামো খাতের ব্যবসা পরিচালনা করছে সামিট গ্রুপ। ফোর্বসের হিসেবে এবারই প্রথম আজিজ খান সিঙ্গাপুরের বিলিয়নিয়র ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন।

ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার ৩৩ কোটি মার্কিন ডলারে বিক্রি করা হয়। ফলে সে বছর আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ কমে ৮৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তীতে তার সম্পদের পরিমাণ আবারও বাড়তে শুরু করে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় আজিজ খানের নাম প্রথম স্থান পায় ২০১৮ সালে। সে বছর এই তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৪ নম্বরে। আজিজ খানের তিন সন্তান। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের দায়িত্বে রয়েছেন তার মেয়ে আয়েশা।

বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঠিক মাঝখানে অবস্থান হওয়ায় দেশটি প্রতিবেশীদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তুলনামূলক কম শুল্ক গ্রহণের কারণে বিশ্বে সিঙ্গাপুরের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে।

দেশটিতে অনেক খাতেই ট্যাক্স দিতে হয় না। নানা ক্ষেত্রে বাধাহীন লেনদেনের কারণে সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছেই। ফলে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম।

অনলাইন ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:49 PM

news image

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। এই তালিকায় ফের বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম উঠে এসেছে। শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এবার ৪২তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বন্দর, ফাইবার অপটিকস, অবকাঠামো খাতের ব্যবসা পরিচালনা করছে সামিট গ্রুপ। ফোর্বসের হিসেবে এবারই প্রথম আজিজ খান সিঙ্গাপুরের বিলিয়নিয়র ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন।

ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার ৩৩ কোটি মার্কিন ডলারে বিক্রি করা হয়। ফলে সে বছর আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ কমে ৮৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তীতে তার সম্পদের পরিমাণ আবারও বাড়তে শুরু করে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় আজিজ খানের নাম প্রথম স্থান পায় ২০১৮ সালে। সে বছর এই তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৪ নম্বরে। আজিজ খানের তিন সন্তান। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের দায়িত্বে রয়েছেন তার মেয়ে আয়েশা।

বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঠিক মাঝখানে অবস্থান হওয়ায় দেশটি প্রতিবেশীদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তুলনামূলক কম শুল্ক গ্রহণের কারণে বিশ্বে সিঙ্গাপুরের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে।

দেশটিতে অনেক খাতেই ট্যাক্স দিতে হয় না। নানা ক্ষেত্রে বাধাহীন লেনদেনের কারণে সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছেই। ফলে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম।