শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

তুরস্কে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক হ্রাসের আহ্বান বাংলাদেশি ব্যবসায়িদের

#
news image

তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রী ড. মেহমুদ মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান গত রোববার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সাক্ষাৎ করেন।
এসময় ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৯শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের হলেও, তা এখনও কাক্সিক্ষত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং কর সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা নিরসনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারের উন্নীত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। এজন্য তিনি বাংলাদেশের ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য তুরস্কের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, বি টু বি ম্যাচ-মেকিং, পণ্য প্রদর্শনী, সেমিনার ও আলোচনা সভা এবং যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভবনা রয়েছে। বর্তমানে তুরস্কে  রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যের ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেয়ে থাকে, যা বৃদ্ধির আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি। তিনি জানান, বাংলাদেশে উৎপাদিত সিরামিক ও তৈরি পোশাক তুরস্কের বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১৯ ও ১৭ শতাংশ হারে শুল্ক প্রদান করতে হয় এবং নির্ধারিত এ শুল্ক হার কমানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে। 
দু’দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এখনও আশানুরূপ নয় বলে উল্লেখ করে তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রী ড. মেহমুদ মুস বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের উন্নয়নে আমাদেরকে একযোগে কাজ করতে হবে।’ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ একটি উৎকৃষ্ট গন্তব্যস্থল উল্লেখ করে তিনি জানান, তুরস্কের বেশ কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে এবং তুরস্কের প্রতিষ্ঠানসমূহের এ ধরনের সাফল্য আরও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মসুদ মান্নান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক

০৫ অক্টোবর, ২০২২,  9:40 PM

news image

তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রী ড. মেহমুদ মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান গত রোববার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সাক্ষাৎ করেন।
এসময় ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৯শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের হলেও, তা এখনও কাক্সিক্ষত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং কর সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা নিরসনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারের উন্নীত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। এজন্য তিনি বাংলাদেশের ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য তুরস্কের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, বি টু বি ম্যাচ-মেকিং, পণ্য প্রদর্শনী, সেমিনার ও আলোচনা সভা এবং যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভবনা রয়েছে। বর্তমানে তুরস্কে  রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যের ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেয়ে থাকে, যা বৃদ্ধির আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি। তিনি জানান, বাংলাদেশে উৎপাদিত সিরামিক ও তৈরি পোশাক তুরস্কের বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১৯ ও ১৭ শতাংশ হারে শুল্ক প্রদান করতে হয় এবং নির্ধারিত এ শুল্ক হার কমানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে। 
দু’দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এখনও আশানুরূপ নয় বলে উল্লেখ করে তুরস্কের বাণিজ্য মন্ত্রী ড. মেহমুদ মুস বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের উন্নয়নে আমাদেরকে একযোগে কাজ করতে হবে।’ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ একটি উৎকৃষ্ট গন্তব্যস্থল উল্লেখ করে তিনি জানান, তুরস্কের বেশ কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে সফলভাবে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে এবং তুরস্কের প্রতিষ্ঠানসমূহের এ ধরনের সাফল্য আরও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মসুদ মান্নান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।