শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

নৌ পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

#
news image

নৌ পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে সরকারের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দিয়েছেন নৌ পরিবহন শ্রমিকদের সংগঠনের নেতারা। শ্রম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার এবং নৌ পরিবহন খাতে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সরকার, নৌযান মালিক ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে এ বৈঠক হয়। নৌযান শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ও কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে গত শনিবার দিবাগত রাত থেকে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করেন নৌযান শ্রমিকরা।

কর্মবিরতির কারণে সোমবারও সদরঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বন্ধ ছিল পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলও।

নৌযান শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার বিধান থাকলেও সর্বশেষ মজুরি কাঠামোর মেয়াদ গত বছরের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। কিন্তু, নৌযান মালিকদের সংগঠনগুলো বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এছাড়া, গত ১৬ মাসে নৌ মন্ত্রণালয় ও শ্রম অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বহুবার দেন-দরবার করেও ফল পাওয়া যায়নি।

গত সাত বছরে (৬ বছর ৪ মাস) কয়েক দফা দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, জানিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেছেন, মজুরি-ভাতা না বাড়ায় নৌযান শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এখন তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই, সাধারণ শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

নৌযান শ্রমিকদের দাবিগুলোহলো—নৌযান শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দিতে হবে। বাল্কহেডের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হবে। বাংলাদেশের বন্দরগুলো থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রোতাশ্রয় নির্মাণ ও চরপাড়া ঘাটের ইজারা বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাইপলাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহের চলমান কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। কর্মস্থলে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত ১০ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করতে হবে। বাংলাদেশের বন্দরগুলো থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ নভেম্বর, ২০২২,  11:04 PM

news image

নৌ পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে সরকারের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দিয়েছেন নৌ পরিবহন শ্রমিকদের সংগঠনের নেতারা। শ্রম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার এবং নৌ পরিবহন খাতে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সরকার, নৌযান মালিক ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে এ বৈঠক হয়। নৌযান শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ও কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে গত শনিবার দিবাগত রাত থেকে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করেন নৌযান শ্রমিকরা।

কর্মবিরতির কারণে সোমবারও সদরঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বন্ধ ছিল পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলও।

নৌযান শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, প্রতি পাঁচ বছর পর নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার বিধান থাকলেও সর্বশেষ মজুরি কাঠামোর মেয়াদ গত বছরের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। কিন্তু, নৌযান মালিকদের সংগঠনগুলো বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। এছাড়া, গত ১৬ মাসে নৌ মন্ত্রণালয় ও শ্রম অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বহুবার দেন-দরবার করেও ফল পাওয়া যায়নি।

গত সাত বছরে (৬ বছর ৪ মাস) কয়েক দফা দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, জানিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেছেন, মজুরি-ভাতা না বাড়ায় নৌযান শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এখন তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই, সাধারণ শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

নৌযান শ্রমিকদের দাবিগুলোহলো—নৌযান শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দিতে হবে। বাল্কহেডের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হবে। বাংলাদেশের বন্দরগুলো থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রোতাশ্রয় নির্মাণ ও চরপাড়া ঘাটের ইজারা বাতিল করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাইপলাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহের চলমান কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। কর্মস্থলে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত ১০ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করতে হবে। বাংলাদেশের বন্দরগুলো থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করতে হবে।