শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

১০ মাসে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৫ শতাংশ

#
news image

চলতি ২০২১-২২ করবর্ষের প্রথম ১০ মাসে (২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মোট রাজস্ব আয় দুই লাখ ২৭ হাজার ৬৪১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। গত করবর্ষের একই সময়ে এই আয় ছিল এক লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সে হিসাবে চলতি করবর্ষে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
এনবিআর সূত্র জানায়, ১০ মাসে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০ কোটি ২৬ লাখ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে মূসক থেকে ৮৪ হাজার ৮৯৫ কোটি ২১ লাখ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬৯ হাজার ৬৮৫কোটি ৭৭ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে আছে। ১০ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে এনবিআর সদস্য ড. আব্দুল মান্নান শিকদার বলেন, আগের তুলনায় ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি করদাতাদের মানসিকতায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তারা প্রতিনিয়ত কমপ্লায়েন্ট হচ্ছেন। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ের কর কর্মকর্তারা তাদের মনিটারিং ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। এসব মিলিয়ে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।
আয়কর ও মূসক রাজস্ব আয় বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক সুশাসন উন্নতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো দিক বলে মনে করেন মান্নান শিকদার। তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানি শুল্ক ব্যবস্থায় কর ফাঁকি বন্ধে এনবিআর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করায় মূসক কর দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা এখন অনেক বেশি কমপ্লায়েন্ট। আবার প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে বেশিসংখ্যক মানুষকে করজালের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের মে ও জুন মাসে রাজস্ব আয় আগের ১০ মাসের তুলনায় আরও ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন এনবিআরের এ সদস্য।
এনবিআরের তথ্যমতে, গত ২০২০-২১ করবর্ষের প্রথম ১০ মাসে আমদানি-রফতানি শুল্ক থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৬১ হাজার ১৩১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা চলতি করবর্ষের একই সময়ে বেড়ে হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে এই খাতে রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ১৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।
একই সময়ে আয়কর আহরণ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। গত করবর্ষের ১০ মাসে এ খাত থেকে রাজস্ব আয় ছিল ৫৯ হাজার ৬৭০ কোটি ২১ লাখ টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়। শুল্ক ও আয়করের মতো মূসক রাজস্ব আয়েও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। গত করবর্ষের ১০ মাসে মূসক রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৬ হাজার ৭৮১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এবার বেড়ে হয়েছে ৮৪ হাজার ৮৯৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। এই খাতে প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
চলতি করবর্ষে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ মে, ২০২২,  1:15 AM

news image

চলতি ২০২১-২২ করবর্ষের প্রথম ১০ মাসে (২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মোট রাজস্ব আয় দুই লাখ ২৭ হাজার ৬৪১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। গত করবর্ষের একই সময়ে এই আয় ছিল এক লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সে হিসাবে চলতি করবর্ষে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
এনবিআর সূত্র জানায়, ১০ মাসে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০ কোটি ২৬ লাখ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে মূসক থেকে ৮৪ হাজার ৮৯৫ কোটি ২১ লাখ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬৯ হাজার ৬৮৫কোটি ৭৭ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে আছে। ১০ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে এনবিআর সদস্য ড. আব্দুল মান্নান শিকদার বলেন, আগের তুলনায় ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি করদাতাদের মানসিকতায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তারা প্রতিনিয়ত কমপ্লায়েন্ট হচ্ছেন। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ের কর কর্মকর্তারা তাদের মনিটারিং ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। এসব মিলিয়ে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।
আয়কর ও মূসক রাজস্ব আয় বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক সুশাসন উন্নতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো দিক বলে মনে করেন মান্নান শিকদার। তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানি শুল্ক ব্যবস্থায় কর ফাঁকি বন্ধে এনবিআর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করায় মূসক কর দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা এখন অনেক বেশি কমপ্লায়েন্ট। আবার প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে বেশিসংখ্যক মানুষকে করজালের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের মে ও জুন মাসে রাজস্ব আয় আগের ১০ মাসের তুলনায় আরও ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন এনবিআরের এ সদস্য।
এনবিআরের তথ্যমতে, গত ২০২০-২১ করবর্ষের প্রথম ১০ মাসে আমদানি-রফতানি শুল্ক থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৬১ হাজার ১৩১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা চলতি করবর্ষের একই সময়ে বেড়ে হয়েছে ৭৩ হাজার ৬০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে এই খাতে রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ১৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।
একই সময়ে আয়কর আহরণ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। গত করবর্ষের ১০ মাসে এ খাত থেকে রাজস্ব আয় ছিল ৫৯ হাজার ৬৭০ কোটি ২১ লাখ টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়। শুল্ক ও আয়করের মতো মূসক রাজস্ব আয়েও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। গত করবর্ষের ১০ মাসে মূসক রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৬ হাজার ৭৮১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এবার বেড়ে হয়েছে ৮৪ হাজার ৮৯৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। এই খাতে প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
চলতি করবর্ষে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।