শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

সেপ্টেম্বরে চালু হচ্ছে এটিবি ও ইটিএফ: ডিএসই

#
news image

দেশের শেয়ারবাজারে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সাদৃশ্য প্রোডাক্ট এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ)। তবে ইটিএফ থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া। এ সময় ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সাইফুর রহমান মজুমদার ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) জিয়াউল করিম উপস্থিত ছিলেন।
তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইটিএফ চালু হবে। এটা অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো। যা অ্যাসেট ম্যানেজার দ্বারা পরিচালিত হবে এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ন্যায় ট্রাস্টি থাকবে। এছাড়া, ইটিএফ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে এবং লভ্যাংশ দেবে।
তিনি বলেন, ইটিএফ শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শুরুতে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হলেও পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে করা হবে। সেটা শরীয়াহভিত্তিক সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে, ফার্মাসিউটিক্যালস বা অন্যকোন খাতের কোম্পানি নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হতে পারে।
ডিএসই এমডি বলেন, শুরুতে ৫০ কোটি টাকা দিয়ে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফের যাত্রা শুরু করা হবে। এই ৫০ কোটি টাকা অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো সংগ্রহ করা হবে এবং তা দিয়ে অ্যাসেট ম্যানেজার শুধু ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করতে পারবে। এমনকি ওই ৩০ সূচকের প্রতিটি কোম্পানিতে ওয়েটেড এভারেজ ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা হবে।
ইটিএফ প্রসঙ্গে ডিএসইর এমডি বলেন, ৫০ কোটি টাকার ইটিএফ গঠনের জন্য উদ্যোক্তা ১০ শতাংশ হারে ৫ কোটি টাকা এবং অ্যাসেট ম্যানেজার ২ শতাংশ হারে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। বাকি ৪৪ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।
ইটিএফ অনেক নিরাপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইটিএফ কখনো ধ্বংস হয় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথম ইটিএফ গঠন হবে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে। এখন ওই ৩০ কোম্পানির মধ্যে যদি কোন ১টি ডিএসই-৩০ সূচক থেকে বের হয়ে যায়, তাহলে ইটিএফ এর অ্যাসেট ম্যানেজার সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ বিক্রি করে দেবে এবং ৩০ সূচকে নতুন যে কোম্পানি আসবে, সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ কিনে নেবে। এরইমধ্যে লংকাবাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ও গ্রিন ডেল্টা ড্রাগণ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ইটিএফ গঠনে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
তারিক আমিন ভূঁইয়া আরও বলেন, ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটের (ওটিসি) কোম্পানিগুলো এটিবিতে লেনদেন হবে। এছাড়া, তালিকাভুক্ত নয় এমন মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও প্রাইভেট প্লেসমেন্টে লেনদেন হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩১ মে, ২০২২,  11:53 PM

news image

দেশের শেয়ারবাজারে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সাদৃশ্য প্রোডাক্ট এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ)। তবে ইটিএফ থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া। এ সময় ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সাইফুর রহমান মজুমদার ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) জিয়াউল করিম উপস্থিত ছিলেন।
তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইটিএফ চালু হবে। এটা অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো। যা অ্যাসেট ম্যানেজার দ্বারা পরিচালিত হবে এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ন্যায় ট্রাস্টি থাকবে। এছাড়া, ইটিএফ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে এবং লভ্যাংশ দেবে।
তিনি বলেন, ইটিএফ শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শুরুতে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হলেও পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে করা হবে। সেটা শরীয়াহভিত্তিক সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে, ফার্মাসিউটিক্যালস বা অন্যকোন খাতের কোম্পানি নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হতে পারে।
ডিএসই এমডি বলেন, শুরুতে ৫০ কোটি টাকা দিয়ে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফের যাত্রা শুরু করা হবে। এই ৫০ কোটি টাকা অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো সংগ্রহ করা হবে এবং তা দিয়ে অ্যাসেট ম্যানেজার শুধু ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করতে পারবে। এমনকি ওই ৩০ সূচকের প্রতিটি কোম্পানিতে ওয়েটেড এভারেজ ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা হবে।
ইটিএফ প্রসঙ্গে ডিএসইর এমডি বলেন, ৫০ কোটি টাকার ইটিএফ গঠনের জন্য উদ্যোক্তা ১০ শতাংশ হারে ৫ কোটি টাকা এবং অ্যাসেট ম্যানেজার ২ শতাংশ হারে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। বাকি ৪৪ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।
ইটিএফ অনেক নিরাপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইটিএফ কখনো ধ্বংস হয় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথম ইটিএফ গঠন হবে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে। এখন ওই ৩০ কোম্পানির মধ্যে যদি কোন ১টি ডিএসই-৩০ সূচক থেকে বের হয়ে যায়, তাহলে ইটিএফ এর অ্যাসেট ম্যানেজার সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ বিক্রি করে দেবে এবং ৩০ সূচকে নতুন যে কোম্পানি আসবে, সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ কিনে নেবে। এরইমধ্যে লংকাবাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ও গ্রিন ডেল্টা ড্রাগণ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ইটিএফ গঠনে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
তারিক আমিন ভূঁইয়া আরও বলেন, ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটের (ওটিসি) কোম্পানিগুলো এটিবিতে লেনদেন হবে। এছাড়া, তালিকাভুক্ত নয় এমন মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও প্রাইভেট প্লেসমেন্টে লেনদেন হবে।