শিরোনামঃ
মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে

বাতের ব্যথায় করনীয়

#
news image

আর্থ্রাইটিস মূলত গিরার প্রদাহ। সহজ করে বললে প্রদাহজনিত ব্যথার কারণ সাধারণত বাতরোগ। এটি অস্থিসন্ধির একটি গুরুতর সমস্যা। এই রোগে দেহের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা হয়, দেখা দেয় ফুলে ওঠা ও জড়তার মতো সমস্যাও। অনেকেই ভাবেন বয়স বাড়লে বুঝি এই সমস্যা হয়। কিন্তু যেকোনো বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। অনেক খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ইনফ্ল্যামেটরি বা ব্যথা উদ্রেককারী। তাই বাতের ব্যথা থাকলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে আবার কিছু খাবার খেতে হবে সুস্থ থাকার জন্য। 

কী খাবেন
বিভিন্ন মসলা, আদা, দারুচিনি ও রসুনে প্রদাহনাশক গুণ রয়েছে। ফলে আদা ও রসুন নিয়মিত খেলে কমতে পারে বাতের ব্যথা। 
ব্রোকলিও প্রদাহনাশক গুণে সমৃদ্ধ। ব্রোকলিতে সালফোরাফেনের মতো একাধিক প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে, যা বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। 
আখরোট ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আর্থারাইটিসের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
পালংশাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট থাকে। বিশেষত ক্যাম্পফেরল নামক অ্যান্টি অক্সিড্যান্টটি বাতের ব্যথা কমাতে খুবই উপযোগী। 
স্যামন, ম্যাকেরেল ও সারডিনের মতো সামুদ্রিক মাছ বাতের ব্যথায় বেশ উপকারী। এই ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। পাশাপাশি এই মাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। যা অস্থি সন্ধির স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে। 
দুধ, দুগ্ধজাত খাদ্য ও ছোট মাছ খাবেন। এতে ক্যালসিয়াম ঘাটতি পূরণ হবে। লাল চাল, লাল আটা বা ভুট্টায় আছে ভিটামিন বি ১২, যা বাতের রোগীদের জন্য উপকারী।

কী খাবেন না
অতিরিক্ত চিনি খাওয়া বাতের ব্যথায় বৃদ্ধি করতে পারে বিড়ম্বনা। বিশেষ করে ক্যান্ডি, ঠাণ্ডা পানীয় কিংবা আইসস্ক্রিমে যে অতিরিক্ত মিষ্টি থাকে তা বাতের সমস্যা বৃদ্ধি করতে পারে। 
প্রক্রিয়াজাত মাংস ও রেড মিট প্রদাহ বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে বাড়তে পারে বাতের ব্যথা। এই ধরনের মাংসে ইন্টারলিউকিন, সি-রিয়্যাক্টিভ প্রোটিন ও হোমোসিস্টেইনের মতো উপাদান থাকে, যা প্রদাহ বৃদ্ধি করতে পারে। 
গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে বাতের সমস্যা। গম, বার্লির মতো দানা শস্যতে থাকে গ্লুটেন নামক এক বিশেষ প্রোটিন। যা বাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। 
অতিরিক্ত মদ্যপান বাতের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। অ্যালকোহল অস্টিওআর্থারইটিসের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।
বাতের সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলতে হবে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া। কারণ সোডিয়াম বাড়িয়ে দিতে পারে বাতের ব্যথা। 
টমেটো, লেবু, আমড়াজাতীয় ফল, শিকড়জাতীয় খাবার খাবেন না। খাওয়া কামবেন ময়দা ও সাদা চিনি। কারণ এগুলো ব্যথা-বেদনা বাড়ায়। 

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১৪ জুন, ২০২২,  9:51 PM

news image

আর্থ্রাইটিস মূলত গিরার প্রদাহ। সহজ করে বললে প্রদাহজনিত ব্যথার কারণ সাধারণত বাতরোগ। এটি অস্থিসন্ধির একটি গুরুতর সমস্যা। এই রোগে দেহের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা হয়, দেখা দেয় ফুলে ওঠা ও জড়তার মতো সমস্যাও। অনেকেই ভাবেন বয়স বাড়লে বুঝি এই সমস্যা হয়। কিন্তু যেকোনো বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। অনেক খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ইনফ্ল্যামেটরি বা ব্যথা উদ্রেককারী। তাই বাতের ব্যথা থাকলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে আবার কিছু খাবার খেতে হবে সুস্থ থাকার জন্য। 

কী খাবেন
বিভিন্ন মসলা, আদা, দারুচিনি ও রসুনে প্রদাহনাশক গুণ রয়েছে। ফলে আদা ও রসুন নিয়মিত খেলে কমতে পারে বাতের ব্যথা। 
ব্রোকলিও প্রদাহনাশক গুণে সমৃদ্ধ। ব্রোকলিতে সালফোরাফেনের মতো একাধিক প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে, যা বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। 
আখরোট ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আর্থারাইটিসের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
পালংশাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট থাকে। বিশেষত ক্যাম্পফেরল নামক অ্যান্টি অক্সিড্যান্টটি বাতের ব্যথা কমাতে খুবই উপযোগী। 
স্যামন, ম্যাকেরেল ও সারডিনের মতো সামুদ্রিক মাছ বাতের ব্যথায় বেশ উপকারী। এই ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। পাশাপাশি এই মাছগুলোতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। যা অস্থি সন্ধির স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে। 
দুধ, দুগ্ধজাত খাদ্য ও ছোট মাছ খাবেন। এতে ক্যালসিয়াম ঘাটতি পূরণ হবে। লাল চাল, লাল আটা বা ভুট্টায় আছে ভিটামিন বি ১২, যা বাতের রোগীদের জন্য উপকারী।

কী খাবেন না
অতিরিক্ত চিনি খাওয়া বাতের ব্যথায় বৃদ্ধি করতে পারে বিড়ম্বনা। বিশেষ করে ক্যান্ডি, ঠাণ্ডা পানীয় কিংবা আইসস্ক্রিমে যে অতিরিক্ত মিষ্টি থাকে তা বাতের সমস্যা বৃদ্ধি করতে পারে। 
প্রক্রিয়াজাত মাংস ও রেড মিট প্রদাহ বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে বাড়তে পারে বাতের ব্যথা। এই ধরনের মাংসে ইন্টারলিউকিন, সি-রিয়্যাক্টিভ প্রোটিন ও হোমোসিস্টেইনের মতো উপাদান থাকে, যা প্রদাহ বৃদ্ধি করতে পারে। 
গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে বাতের সমস্যা। গম, বার্লির মতো দানা শস্যতে থাকে গ্লুটেন নামক এক বিশেষ প্রোটিন। যা বাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। 
অতিরিক্ত মদ্যপান বাতের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। অ্যালকোহল অস্টিওআর্থারইটিসের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।
বাতের সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলতে হবে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া। কারণ সোডিয়াম বাড়িয়ে দিতে পারে বাতের ব্যথা। 
টমেটো, লেবু, আমড়াজাতীয় ফল, শিকড়জাতীয় খাবার খাবেন না। খাওয়া কামবেন ময়দা ও সাদা চিনি। কারণ এগুলো ব্যথা-বেদনা বাড়ায়।