শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও ওয়ানডেতে আধিপত্য ধরে রাখার লক্ষ্য বাংলাদেশের

#
news image

আগামীকাল থেকে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এই সফরে সদ্যই জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের লজ্জা পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচটি টি-স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
টি-টোয়েন্টি ফেভারিট ফরম্যাট নয় বাংলাদেশের। তারপরও আশা করা হয়েছিলো টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিতবে টাইগাররা। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ২-১ ব্যবধানে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ নেয় জিম্বাবুয়ে। সেই সাথে এই ফরম্যাটে কোন টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় জিম্বাবুয়ে। 
এই মুহূর্তে ওয়ানডেতে বিশে^র সেরা দল বাংলাদেশ। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ^কাপের পর নয়টি দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে সাতটিতেই জিতেছে তারা। ২০১৯ সালে শ্রীলংকা ও ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে দু’টি সিরিজ হারে তারা। নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর টানা পাঁচটি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। শ্রীলংকা-জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতে টাইগাররা। 
তাই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শক্তি স্পষ্ট। জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ সিরিজ হারলে সেটি হবে বড় ধরনের অঘটন। ২০১৩ সালের পর থেকে জিম্বাবুয়ের কাছে কোন সিরিজ হারেনি টাইগাররা। ঐ বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে। ঐসময় থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সব ম্যাচে জিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে টাইগাররা। আগামীকাল বাংলাদেশ যখন তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি খেলতে নামবে তখন তাদের নজর থাকবে জয়ের সংখ্যাটা ২০’এ নেয়া। 
সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫০টিতে জিতেছে টাইগাররা। হেরেছে ২৮টিতে।
কিন্তু বাংলাদেশের জয়ের ধারাকে কি আটকাতে পারবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় করা জিম্বাবুয়ে? প্রশ্নটি অবশ্যই তাড়া করবে বাংলাদেশী ভক্তদের। অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি সংঘবদ্ধ এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এক দল জিম্বাবুয়ে। 
জিম্বাবুয়ের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারকে অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে খেলোয়াড়দের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন দলের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানান, দলের জয়ের জন্য ঝুঁিক নিয়ে না খেলে নিজের জায়গা ধরে রাখার জন্য খেলেছেন তারা। 
মাহমুদ বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে কাছে হারবো আমি আশা করিনি। আমরা তাদের চেয়ে ভালো দল। আমি এটাকে অপমানজনক বলবো।’
মাহমুদ আরও বলেন, ‘যখন আমাদের প্রতি ওভারে ১০ বা ১২ রানের প্রয়োজন ছিল ঐ সময় প্রতি ওভারে ছয় বা সাত করে রান নিয়েছি। কেউ ছক্কা মারার চেষ্টাও করেনি। সকলেই এক-দুই রানের জন্য খেলেছিলো। নিজেদের জায়গা রক্ষা করার মতো ব্যাটিং করেছিলো তারা।’
বাংলাদেশ : তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, আনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও তাইজুল ইসলাম। 
জিম্বাবুয়ে : ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), রেগিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), তানাকা চিভাঙ্গা, লুক জংওয়ে, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়ুচি, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা ও সিন উইলিয়ামস।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৪ আগস্ট, ২০২২,  11:44 PM

news image

আগামীকাল থেকে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এই সফরে সদ্যই জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের লজ্জা পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচটি টি-স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
টি-টোয়েন্টি ফেভারিট ফরম্যাট নয় বাংলাদেশের। তারপরও আশা করা হয়েছিলো টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিতবে টাইগাররা। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ২-১ ব্যবধানে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ নেয় জিম্বাবুয়ে। সেই সাথে এই ফরম্যাটে কোন টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় জিম্বাবুয়ে। 
এই মুহূর্তে ওয়ানডেতে বিশে^র সেরা দল বাংলাদেশ। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ^কাপের পর নয়টি দ্বিপাক্ষীক সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে সাতটিতেই জিতেছে তারা। ২০১৯ সালে শ্রীলংকা ও ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে দু’টি সিরিজ হারে তারা। নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর টানা পাঁচটি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। শ্রীলংকা-জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতে টাইগাররা। 
তাই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শক্তি স্পষ্ট। জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ সিরিজ হারলে সেটি হবে বড় ধরনের অঘটন। ২০১৩ সালের পর থেকে জিম্বাবুয়ের কাছে কোন সিরিজ হারেনি টাইগাররা। ঐ বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে। ঐসময় থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সব ম্যাচে জিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে টাইগাররা। আগামীকাল বাংলাদেশ যখন তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি খেলতে নামবে তখন তাদের নজর থাকবে জয়ের সংখ্যাটা ২০’এ নেয়া। 
সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫০টিতে জিতেছে টাইগাররা। হেরেছে ২৮টিতে।
কিন্তু বাংলাদেশের জয়ের ধারাকে কি আটকাতে পারবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় করা জিম্বাবুয়ে? প্রশ্নটি অবশ্যই তাড়া করবে বাংলাদেশী ভক্তদের। অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি সংঘবদ্ধ এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এক দল জিম্বাবুয়ে। 
জিম্বাবুয়ের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারকে অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে খেলোয়াড়দের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন দলের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানান, দলের জয়ের জন্য ঝুঁিক নিয়ে না খেলে নিজের জায়গা ধরে রাখার জন্য খেলেছেন তারা। 
মাহমুদ বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে কাছে হারবো আমি আশা করিনি। আমরা তাদের চেয়ে ভালো দল। আমি এটাকে অপমানজনক বলবো।’
মাহমুদ আরও বলেন, ‘যখন আমাদের প্রতি ওভারে ১০ বা ১২ রানের প্রয়োজন ছিল ঐ সময় প্রতি ওভারে ছয় বা সাত করে রান নিয়েছি। কেউ ছক্কা মারার চেষ্টাও করেনি। সকলেই এক-দুই রানের জন্য খেলেছিলো। নিজেদের জায়গা রক্ষা করার মতো ব্যাটিং করেছিলো তারা।’
বাংলাদেশ : তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, আনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও তাইজুল ইসলাম। 
জিম্বাবুয়ে : ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), রেগিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), তানাকা চিভাঙ্গা, লুক জংওয়ে, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়ুচি, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা ও সিন উইলিয়ামস।