শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

মন যা চায়, তা-ই করেন: কৃতী শ্যানন

#
news image

একের পর এক ফ্লপ দিয়ে শুরু। রোহিত শেঠির মতো বাণিজ্যিক ছবির সফল পরিচালকও তাঁর ভাগ্য ফেরাতে পারেননি। একদিকে ‘বরেলি কি বরফি’, ‘মিমি’, ‘লুকাছুপি’ দারুণভাবে সফল; আবার কৃতী শ্যানন অভিনীত ‘রাবতা’, ‘বচ্চন পান্ডে’, ‘পানিপথ’সহ আরও অনেক ছবি বক্স অফিসে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। একেক তারকা ফ্লপ ছবির ধাক্কা একেক রকমভাবে সামলান। কৃতী শ্যানন কীভাবে সামলান? সম্প্রতি নিজেই জানালেন ছবি ফ্লপ হলে তাঁর কী অবস্থা হয়। কৃতী জানিয়েছেন, সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাকেও তিনি মাথা পেতে নেন। আর পাঁচজন মানুষের মতোই ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন এই বলিউড তারকা। ব্যর্থতার প্রসঙ্গে কৃতী বলেন, ‘আমি কেঁদে ভাসাই। আমি ওই সবকিছুই করি, যা একজন সাধারণ মানুষ করেন। পর্দায়, সাক্ষাৎকারের সময় আমাকে সবাই শক্তিশালী নারী হিসেবে দেখেন। কিন্তু আমি মনে করি, নিজের আবেগের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন। আর সবকিছু ঝেড়ে ফেলে পরবর্তী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া জরুরি।’ কৃতী শ্যানন আরও বলেন, ‘আমাদের উচিত নয় নিজেদের আবেগ, অনুভূতিকে আড়াল করা। আমরা মোটেও এ রকম ছিলাম না। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন অনেক সরল ছিলাম। আমাদের তখন কষ্ট হলে কেঁদে ফেলতাম। আবার হাসতে ইচ্ছে হলে হেসে ফেলতাম। লোকে কী বলবে, এ নিয়ে আমাদের কিছু যেত-আসত না। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মধ্যে পরিপক্বতা চলে আসে। আর এই পরিপক্বতা আমাদের আবেগ-অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করে।’ তিনি বলেন, ‘আমার মন যা চায়, আমি তা-ই করি। আর এটাই আমার শক্তি। অনেক সময় অভিমান হলে কিছুদিন আমি কথা বলি না। আমার কাঁদতে ইচ্ছে হলে আমি কাঁদি। কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে না করলে কথা বলি না। আবার কোনো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করলে তাকে ফোন করে কথা বলি। শেষ পর্যন্ত আমি এটাই বুঝেছি যে জীবনে এগিয়ে যাওয়া খুব জরুরি। তবে আমি আমার কিছু ছবি নিয়ে একটু বেশি আবেগপ্রবণ। কারণ, এই ছবিগুলো আমার হৃদয়ের অনেক কাছের। কিন্তু আমি দীর্ঘ পথ চলতে চাই। জীবনে যা যা ঘটছে, তা খোলা মনে স্বীকার করতে চাই। একজন অভিনেতা হিসেবে একটা সময় পর আমাদের হাতে কিছু থাকে না।’ কৃতির ঝুলি এখন দারুণ সব প্রকল্পে ভরপুর। শিগগিরই তাঁকে ‘শেহজাদা’, ‘গণপথ’, ‘আদিপুরুষ’, ও ‘ভেড়িয়া’ ছবিতে দেখা যাবে।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১৭ আগস্ট, ২০২২,  11:44 PM

news image

একের পর এক ফ্লপ দিয়ে শুরু। রোহিত শেঠির মতো বাণিজ্যিক ছবির সফল পরিচালকও তাঁর ভাগ্য ফেরাতে পারেননি। একদিকে ‘বরেলি কি বরফি’, ‘মিমি’, ‘লুকাছুপি’ দারুণভাবে সফল; আবার কৃতী শ্যানন অভিনীত ‘রাবতা’, ‘বচ্চন পান্ডে’, ‘পানিপথ’সহ আরও অনেক ছবি বক্স অফিসে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। একেক তারকা ফ্লপ ছবির ধাক্কা একেক রকমভাবে সামলান। কৃতী শ্যানন কীভাবে সামলান? সম্প্রতি নিজেই জানালেন ছবি ফ্লপ হলে তাঁর কী অবস্থা হয়। কৃতী জানিয়েছেন, সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাকেও তিনি মাথা পেতে নেন। আর পাঁচজন মানুষের মতোই ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন এই বলিউড তারকা। ব্যর্থতার প্রসঙ্গে কৃতী বলেন, ‘আমি কেঁদে ভাসাই। আমি ওই সবকিছুই করি, যা একজন সাধারণ মানুষ করেন। পর্দায়, সাক্ষাৎকারের সময় আমাকে সবাই শক্তিশালী নারী হিসেবে দেখেন। কিন্তু আমি মনে করি, নিজের আবেগের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন। আর সবকিছু ঝেড়ে ফেলে পরবর্তী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া জরুরি।’ কৃতী শ্যানন আরও বলেন, ‘আমাদের উচিত নয় নিজেদের আবেগ, অনুভূতিকে আড়াল করা। আমরা মোটেও এ রকম ছিলাম না। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন অনেক সরল ছিলাম। আমাদের তখন কষ্ট হলে কেঁদে ফেলতাম। আবার হাসতে ইচ্ছে হলে হেসে ফেলতাম। লোকে কী বলবে, এ নিয়ে আমাদের কিছু যেত-আসত না। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মধ্যে পরিপক্বতা চলে আসে। আর এই পরিপক্বতা আমাদের আবেগ-অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করে।’ তিনি বলেন, ‘আমার মন যা চায়, আমি তা-ই করি। আর এটাই আমার শক্তি। অনেক সময় অভিমান হলে কিছুদিন আমি কথা বলি না। আমার কাঁদতে ইচ্ছে হলে আমি কাঁদি। কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে না করলে কথা বলি না। আবার কোনো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করলে তাকে ফোন করে কথা বলি। শেষ পর্যন্ত আমি এটাই বুঝেছি যে জীবনে এগিয়ে যাওয়া খুব জরুরি। তবে আমি আমার কিছু ছবি নিয়ে একটু বেশি আবেগপ্রবণ। কারণ, এই ছবিগুলো আমার হৃদয়ের অনেক কাছের। কিন্তু আমি দীর্ঘ পথ চলতে চাই। জীবনে যা যা ঘটছে, তা খোলা মনে স্বীকার করতে চাই। একজন অভিনেতা হিসেবে একটা সময় পর আমাদের হাতে কিছু থাকে না।’ কৃতির ঝুলি এখন দারুণ সব প্রকল্পে ভরপুর। শিগগিরই তাঁকে ‘শেহজাদা’, ‘গণপথ’, ‘আদিপুরুষ’, ও ‘ভেড়িয়া’ ছবিতে দেখা যাবে।