শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

পদ্মা সেতুতে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজ শুরু

#
news image

পদ্মা সেতুতে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সেতুর জাজিরা প্রান্তে এ কাজের উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

এসময় রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী চার মাসের মধ্যে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি প্রায় ৮৫ শতাংশ, ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৫২ শতাংশ। এছাড়া কাজের ফাইন্যান্সিয়াল অগ্রগতি ৬৮ শতাংশ এবং ফিজিক্যাল অগ্রগতি ৭০ শতাংশ। এই মূল্যায়ন কনসালটেন্ট গ্রুপের, তবে চায়না কনস্ট্রাকশন গ্রুপের মূল্যায়ন কাজের অগ্রগতি আরও অনেক বেশি।

এর আগে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর রেললাইন স্থাপন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী। এ সময় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের রেল অংশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৫ জুলাই রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, ‌পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের ১০টি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি। এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে। সময়মতো বাস্তবায়নে প্রকল্পকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এবং তৃতীয় অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পদ্মা সেতু ও এর দুই প্রান্তে রেললাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালে। শুরুতে যানবাহন চলাচলের সঙ্গে একই দিনে রেল চালুর পরিকল্পনা ছিল সরকারের। কিন্তু রেললাইন বসানোসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পিছিয়ে আছে। পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে সরকারের সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল নিশ্চিতের দায়িত্ব বাংলাদেশ রেলওয়ের। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার রেললাইন বসানো এবং স্টেশন ও অন্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আলাদা প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। জিটুজি পদ্ধতিতে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে চীন। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রেল সংযোগের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ আগস্ট, ২০২২,  10:43 PM

news image

পদ্মা সেতুতে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সেতুর জাজিরা প্রান্তে এ কাজের উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

এসময় রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী চার মাসের মধ্যে রেল ট্র্যাক বসানোর কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি প্রায় ৮৫ শতাংশ, ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৫২ শতাংশ। এছাড়া কাজের ফাইন্যান্সিয়াল অগ্রগতি ৬৮ শতাংশ এবং ফিজিক্যাল অগ্রগতি ৭০ শতাংশ। এই মূল্যায়ন কনসালটেন্ট গ্রুপের, তবে চায়না কনস্ট্রাকশন গ্রুপের মূল্যায়ন কাজের অগ্রগতি আরও অনেক বেশি।

এর আগে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর রেললাইন স্থাপন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী। এ সময় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের রেল অংশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৫ জুলাই রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, ‌পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের ১০টি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি। এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে। সময়মতো বাস্তবায়নে প্রকল্পকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এবং তৃতীয় অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পদ্মা সেতু ও এর দুই প্রান্তে রেললাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালে। শুরুতে যানবাহন চলাচলের সঙ্গে একই দিনে রেল চালুর পরিকল্পনা ছিল সরকারের। কিন্তু রেললাইন বসানোসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পিছিয়ে আছে। পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে সরকারের সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল নিশ্চিতের দায়িত্ব বাংলাদেশ রেলওয়ের। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার রেললাইন বসানো এবং স্টেশন ও অন্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আলাদা প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। জিটুজি পদ্ধতিতে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে চীন। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রেল সংযোগের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।