শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ভারত’

#
news image

রোহিঙ্গা শরণার্থীরা এখন বাংলাদেশের জন্য ‘বড় বোঝা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে এই সমস্যা থেকে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চারদিনের ভারত সফরের আগে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জন্য রোহিঙ্গা ইস্যুটি এখন বড় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতি তার সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, আমাদের জন্য এটা এখন একটা বড় বোঝা। ভারত একটি বিশাল দেশ। আপনারা আশ্রয় দিতে পারেন। যদিও ভারতে খুব বেশি রোহিঙ্গা নেই। কিন্তু আমাদের দেশে বর্তমানে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আছে। সে কারণে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। রোহিঙ্গারা যেন নিজ দেশে ফিরতে পারেন সে বিষয়ে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার মানবিকতার দিকটি মাথায় রেখেই বাস্তুচ্যুত এই সম্প্রদায়কে আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, মানবিকতার খাতিরে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি এবং সব ধরনের সহায়তা দিয়েছি। এমনকি কোভিড মহামারির সময়ে আমরা এখানকার সব রোহিঙ্গাকে ভ্যাকসিন দিয়েছি। কিন্তু আমরা তাদের আর কতদিন আশ্রয় দেবো? তারা আর কতদিন এখানে থাকবে? তারা বর্তমানে বিভিন্ন ক্যাম্পে রয়েছে। সেখানকার পরিবেশ অনিরাপদ হয়ে উঠছে। তাদের মধ্যে অনেকেই মাদক পাচার, নারী পাচার এবং সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।

দিন দিন এসব আরও বাড়ছে। তারা যত দ্রুত নিজেদের দেশে ফিরে যাবে তা মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ দু’দেশের জন্যই ভালো হবে। আমরা আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা মিয়ানমার এবং আসিয়ান বা ইউএনও'র মতো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যান্য দেশের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কার মতো সংকটে পড়বে না বাংলাদেশ

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে পারে এমন আশঙ্কার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কোভিড মহামারি পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার পরও বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানেই রয়েছে এবং যে কোনো ধরনের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা হয় এবং চিন্তা-ভাবনা করা হয়। এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বই বর্তমানে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

আমাদের অর্থনীতি এখনও বেশ শক্তিশালী। আমরা করোনা মহামারির সময় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলাম, এখন আবার রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। এসব কিছুরই প্রভাব পড়বে। কিন্তু ঋণের দিক থেকে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট সময়েই ঋণ মিটিয়ে দেয়। আমাদের ঋণের হারও খুব কম। আমাদের অর্থনীতির গতিপথ ও উন্নয়ন খুব বেশি হিসেব করেই করা হয়। সে কারণে তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো সংকটে পড়বে না।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  9:23 PM

news image

রোহিঙ্গা শরণার্থীরা এখন বাংলাদেশের জন্য ‘বড় বোঝা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে এই সমস্যা থেকে বের করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চারদিনের ভারত সফরের আগে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের জন্য রোহিঙ্গা ইস্যুটি এখন বড় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতি তার সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, আমাদের জন্য এটা এখন একটা বড় বোঝা। ভারত একটি বিশাল দেশ। আপনারা আশ্রয় দিতে পারেন। যদিও ভারতে খুব বেশি রোহিঙ্গা নেই। কিন্তু আমাদের দেশে বর্তমানে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আছে। সে কারণে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। রোহিঙ্গারা যেন নিজ দেশে ফিরতে পারেন সে বিষয়ে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার মানবিকতার দিকটি মাথায় রেখেই বাস্তুচ্যুত এই সম্প্রদায়কে আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, মানবিকতার খাতিরে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি এবং সব ধরনের সহায়তা দিয়েছি। এমনকি কোভিড মহামারির সময়ে আমরা এখানকার সব রোহিঙ্গাকে ভ্যাকসিন দিয়েছি। কিন্তু আমরা তাদের আর কতদিন আশ্রয় দেবো? তারা আর কতদিন এখানে থাকবে? তারা বর্তমানে বিভিন্ন ক্যাম্পে রয়েছে। সেখানকার পরিবেশ অনিরাপদ হয়ে উঠছে। তাদের মধ্যে অনেকেই মাদক পাচার, নারী পাচার এবং সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।

দিন দিন এসব আরও বাড়ছে। তারা যত দ্রুত নিজেদের দেশে ফিরে যাবে তা মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ দু’দেশের জন্যই ভালো হবে। আমরা আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা মিয়ানমার এবং আসিয়ান বা ইউএনও'র মতো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যান্য দেশের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কার মতো সংকটে পড়বে না বাংলাদেশ

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে পারে এমন আশঙ্কার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কোভিড মহামারি পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার পরও বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানেই রয়েছে এবং যে কোনো ধরনের ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা হয় এবং চিন্তা-ভাবনা করা হয়। এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বই বর্তমানে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

আমাদের অর্থনীতি এখনও বেশ শক্তিশালী। আমরা করোনা মহামারির সময় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলাম, এখন আবার রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। এসব কিছুরই প্রভাব পড়বে। কিন্তু ঋণের দিক থেকে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট সময়েই ঋণ মিটিয়ে দেয়। আমাদের ঋণের হারও খুব কম। আমাদের অর্থনীতির গতিপথ ও উন্নয়ন খুব বেশি হিসেব করেই করা হয়। সে কারণে তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো সংকটে পড়বে না।