শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একাংশ

#
news image

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে নিউমার্কেটসহ আশপাশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ী ও দোকানকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। বিক্ষোভ চলাকালে ছাত্রদের উপর পুলিশি আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা।

গতকাল সোমবার রাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষ বাধে। দিবাগত রাত ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। এরপর আজ সকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষ বাধে, থেমে থেমে চলে সংঘর্ষ। বেলা একটার দিকে পুলিশ এসে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা দুই পক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দেয়। তবে দুই পক্ষ এখনো আক্রমণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। এই সংঘর্ষের কারণে সকাল থেকেই রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক মিরপুর রোডে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ আছে।

বেলা ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনের চৌরাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র। তাঁদের নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা কামাল খান, শেখ স্বাধীন মো. শাহেদ, শামীম পারভেজ ও মেশকাত হোসেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন কয়েক শ শিক্ষার্থী। বিক্ষোভে ‘ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ঢাকা কলেজ ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়।

এরপর তোরণের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে তাঁরা নীলক্ষেত মোড়ে যান। সেখানে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের ওপর হামলা করায় পুলিশের ওপর ক্ষোভ দেখান তাঁরা। নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র সাদেকুল ইসলাম তাঁদের নিবৃত্ত করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তোরণের সামনে ফিরে যান। আড়াইটার দিকে বিক্ষোভ শেষ হয়।

তোরণের সামনে গিয়ে আরও কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের সামনে থেকে কিছু নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত যান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। পুলিশের সঙ্গে মিনিটখানেক কথা বলে তিনিও চলে যান।

প্র.খ/বিপ্লব

প্রভাতী খবর ডেস্ক:

১৯ এপ্রিল, ২০২২,  5:07 AM

news image
ঢাকা কলেজের ছাত্রদের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সমর্থন

ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে নিউমার্কেটসহ আশপাশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ী ও দোকানকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা কলেজের ছাত্রদের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। বিক্ষোভ চলাকালে ছাত্রদের উপর পুলিশি আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা।

গতকাল সোমবার রাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষ বাধে। দিবাগত রাত ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। এরপর আজ সকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষ বাধে, থেমে থেমে চলে সংঘর্ষ। বেলা একটার দিকে পুলিশ এসে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা দুই পক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দেয়। তবে দুই পক্ষ এখনো আক্রমণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। এই সংঘর্ষের কারণে সকাল থেকেই রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক মিরপুর রোডে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ আছে।

বেলা ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনের চৌরাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র। তাঁদের নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা কামাল খান, শেখ স্বাধীন মো. শাহেদ, শামীম পারভেজ ও মেশকাত হোসেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন কয়েক শ শিক্ষার্থী। বিক্ষোভে ‘ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ঢাকা কলেজ ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়।

এরপর তোরণের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে তাঁরা নীলক্ষেত মোড়ে যান। সেখানে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের ওপর হামলা করায় পুলিশের ওপর ক্ষোভ দেখান তাঁরা। নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র সাদেকুল ইসলাম তাঁদের নিবৃত্ত করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তোরণের সামনে ফিরে যান। আড়াইটার দিকে বিক্ষোভ শেষ হয়।

তোরণের সামনে গিয়ে আরও কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের সামনে থেকে কিছু নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত যান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। পুলিশের সঙ্গে মিনিটখানেক কথা বলে তিনিও চলে যান।

প্র.খ/বিপ্লব