শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

সীমান্তে অস্থিতিশীলতা: স্থানান্তরিত এসএসসি কেন্দ্র পরিদর্শনে ডিসি

#
news image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি ও পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি ও বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে গত শনিবার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষার কেন্দ্রটি সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে একই দিন সকাল ১১ টার দিকে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসন। 

হেলাল উদ্দিন জানান, সকালে বান্দরবানের ডিসি-এসপি স্থানান্তরিত এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। এসময় তারা পরীক্ষার্থীদের আতঙ্কিত না হয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে সীমান্তের ৩০০ পরিবারকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি। গত শনিবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের  উৎকন্ঠা বিবেচনায় ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রটি পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। এই কেন্দ্র ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪১৯ জন এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা ২টি মর্টার শেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তুমব্রু’র উত্তর মসজিদের কাছে পড়ে। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর গত ৩ সেপ্টেম্বর ঘুমধুম এলাকায় দুটি গোলা পড়ে এবং ৯ সেপ্টেম্বর একে ৪৭ এর গুলি এসে পড়ে। তবে গত শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাইন বিস্ফোরণ ও গুলি-মর্টার শেল নিক্ষেপে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে নো ম্যান্স ল্যান্ডে বসবাসরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে।

অনলাইন ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:50 PM

news image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি ও পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি ও বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে গত শনিবার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষার কেন্দ্রটি সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে একই দিন সকাল ১১ টার দিকে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসন। 

হেলাল উদ্দিন জানান, সকালে বান্দরবানের ডিসি-এসপি স্থানান্তরিত এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। এসময় তারা পরীক্ষার্থীদের আতঙ্কিত না হয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে সীমান্তের ৩০০ পরিবারকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি। গত শনিবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের  উৎকন্ঠা বিবেচনায় ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রটি পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। এই কেন্দ্র ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪১৯ জন এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা ২টি মর্টার শেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তুমব্রু’র উত্তর মসজিদের কাছে পড়ে। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর গত ৩ সেপ্টেম্বর ঘুমধুম এলাকায় দুটি গোলা পড়ে এবং ৯ সেপ্টেম্বর একে ৪৭ এর গুলি এসে পড়ে। তবে গত শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাইন বিস্ফোরণ ও গুলি-মর্টার শেল নিক্ষেপে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে নো ম্যান্স ল্যান্ডে বসবাসরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে।