শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি আয় বাড়লো ৩৪ শতাংশ

#
news image

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও এখন বাড়ছে দেশীয় প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-মার্চ) বিশ্ববাজারে প্লাস্টিক পণ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশ রপ্তানি আয় করেছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-মার্চ অর্থাৎ ১০ মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ। একই সময়ে প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি আয়ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। এই ১০ মাসে প্লাস্টিক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ডলার।
২০২০-২১ অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ খাতে চলতি অর্থবছর ১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
চলতি অর্থবছর ২১ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পিভিসি ব্যাগ, ১৯ কোটি ডলারের প্লাস্টিক বর্জ্য ও ৮৭ কোটি ডলারের প্লাস্টিকের অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘অনেক নতুন পণ্য আমরা বাজারে নিয়ে এসেছি। পণ্য বহুমুখীকরণ করে নতুন কাস্টমারের কাছে গেছি। কিছু পণ্যের বাজারও সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্লাস্টিকের প্রবৃদ্ধি এবার ভালো।’
বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ বিশ্বের ২৩টি দেশে সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য। চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পৃথিবীর অনেক দেশ এখন বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্যে ঝুঁকছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে।’
এদিকে বিপিজিএমইএ’র তথ্য বলছে, দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে পাঁচ হাজার কারখানায় প্রায় ১৫ ক্যাটাগরিতে পণ্য উৎপাদন হয়। এর মধ্যে পোশাকখাতের জন্য পলিব্যাগ, হ্যাঙ্গার, প্লাস্টিক ক্লিপ, বোতাম, খেলনাসামগ্রীর মধ্যে পুতুল, বল, ঘরে ব্যবহার্য চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বিভিন্ন ধরনের রেক, ঝুড়ি, বাথটব, জগ, মগ, অফিসে ব্যবহার্য পেপারওয়েট, স্কেল, টেবিল, বলপেন, ফাইল কভার অন্যতম।
কৃষিখাতের জন্য পাইপ, সাইকেলের যন্ত্রাংশের মধ্যে বাম্পার, হাতলের কভার, ব্যাক লাইট, স্পোক লাইট, মাছ ও ডিম রাখার ঝুড়ি, ভিডিও ও অডিও ক্যাসেট, কম্পিউটারের উপকরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক পণ্য দেশে তৈরি হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ মে, ২০২২,  1:30 AM

news image

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও এখন বাড়ছে দেশীয় প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-মার্চ) বিশ্ববাজারে প্লাস্টিক পণ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশ রপ্তানি আয় করেছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-মার্চ অর্থাৎ ১০ মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ। একই সময়ে প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি আয়ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। এই ১০ মাসে প্লাস্টিক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ কোটি ডলার।
২০২০-২১ অর্থবছরে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ খাতে চলতি অর্থবছর ১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
চলতি অর্থবছর ২১ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পিভিসি ব্যাগ, ১৯ কোটি ডলারের প্লাস্টিক বর্জ্য ও ৮৭ কোটি ডলারের প্লাস্টিকের অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘অনেক নতুন পণ্য আমরা বাজারে নিয়ে এসেছি। পণ্য বহুমুখীকরণ করে নতুন কাস্টমারের কাছে গেছি। কিছু পণ্যের বাজারও সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্লাস্টিকের প্রবৃদ্ধি এবার ভালো।’
বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ বিশ্বের ২৩টি দেশে সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য। চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পৃথিবীর অনেক দেশ এখন বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্যে ঝুঁকছে। ফলে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে।’
এদিকে বিপিজিএমইএ’র তথ্য বলছে, দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে পাঁচ হাজার কারখানায় প্রায় ১৫ ক্যাটাগরিতে পণ্য উৎপাদন হয়। এর মধ্যে পোশাকখাতের জন্য পলিব্যাগ, হ্যাঙ্গার, প্লাস্টিক ক্লিপ, বোতাম, খেলনাসামগ্রীর মধ্যে পুতুল, বল, ঘরে ব্যবহার্য চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বিভিন্ন ধরনের রেক, ঝুড়ি, বাথটব, জগ, মগ, অফিসে ব্যবহার্য পেপারওয়েট, স্কেল, টেবিল, বলপেন, ফাইল কভার অন্যতম।
কৃষিখাতের জন্য পাইপ, সাইকেলের যন্ত্রাংশের মধ্যে বাম্পার, হাতলের কভার, ব্যাক লাইট, স্পোক লাইট, মাছ ও ডিম রাখার ঝুড়ি, ভিডিও ও অডিও ক্যাসেট, কম্পিউটারের উপকরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক পণ্য দেশে তৈরি হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।