শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

অনেক প্রথমের জন্ম দিয়ে সিনেটর বাংলাদেশি নাবিলা

#
news image

জর্জিয়া স্টেট সিনেটে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করে জয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করেন বাংলাদেশি পিতামাতার সন্তান নাবিলা ইসলাম। মাত্র ৩২ বছর বয়সে সবচেয়ে কম বয়সী প্রথম মুসলিম নারী  সিনেটর হয়ে জর্জিয়ায় নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

তবে নাবিলার এই উত্থান মোটেও সহজ ছিল না। বাংলাদেশ থেকে উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিল নাবিলার পরিবার। প্রবাসের কর্মজীবন স্বাভাবিকভাবেই কঠিন সংগ্রামী জীবনের গল্প। অন্ন যোগাতে নাবিলা তার বাবা মায়ের কঠোর পরিশ্রম নিজের চোখে দেখেছে। নাবিলার মা একটি ওয়্যারহাউজে ভারী কাজ করতেন। ওই চাকরিকালীন সময়ে তিনি আহত হন। আপদকালীন সময়ে নাবিলা মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভগ্নদশা দেখেই রাজনীতিতে নামার তাগিদ অনুভব করেন। তখন থেকেই নাবিলা মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার অধিকার সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সিনেটর হওয়ার আগে নাবিলা ইসলাম গিনেটে ডেমোক্র্যাট পার্টির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও সর্ব আমেরিকান মুসলিম জোটের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকাকালীন সময়ে সমগ্র জর্জিয়ার ৬০০০০ নিবন্ধিত মুসলিম ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন, যা ছিলো একটি জর্জিয়ার ইতিহাসে দুঃসাধ্য রেকর্ড ।

নাবিলা ২০১৬ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারনায় বিজিত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সাথে কাজ করেছেন। আবার জাতীয় ডেমোক্র্যাট কমিটিতেও ছিলেন। পার্টির জন্য তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চাঁদা সংগ্রহ করেছেন।

আমেরিকার আলোচিত জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকান্ডের পরে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও ভূমিকার পুরষ্কার হিসেবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের দল ডেমোক্র্যাট পার্টির টিকেট পান ও রেকর্ড গড়ে ডিষ্ট্রিক্ট ৭ থেকে ৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

বিজয়ী হয়ে নাবিলা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "এখন আমাকে ১০ গুন পরিশ্রম করতে হবে। আমার কমিউনিটি আমার কাছে অনেক কিছু, এজন্য আমি হাল ছাড়ি নি।"

অনলাইন ডেস্ক

১১ নভেম্বর, ২০২২,  2:44 AM

news image
পিতা মাতার সাথে নাবিলা ইসলাম

জর্জিয়া স্টেট সিনেটে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করে জয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করেন বাংলাদেশি পিতামাতার সন্তান নাবিলা ইসলাম। মাত্র ৩২ বছর বয়সে সবচেয়ে কম বয়সী প্রথম মুসলিম নারী  সিনেটর হয়ে জর্জিয়ায় নতুন ইতিহাস গড়েছেন।

তবে নাবিলার এই উত্থান মোটেও সহজ ছিল না। বাংলাদেশ থেকে উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিল নাবিলার পরিবার। প্রবাসের কর্মজীবন স্বাভাবিকভাবেই কঠিন সংগ্রামী জীবনের গল্প। অন্ন যোগাতে নাবিলা তার বাবা মায়ের কঠোর পরিশ্রম নিজের চোখে দেখেছে। নাবিলার মা একটি ওয়্যারহাউজে ভারী কাজ করতেন। ওই চাকরিকালীন সময়ে তিনি আহত হন। আপদকালীন সময়ে নাবিলা মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভগ্নদশা দেখেই রাজনীতিতে নামার তাগিদ অনুভব করেন। তখন থেকেই নাবিলা মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার অধিকার সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সিনেটর হওয়ার আগে নাবিলা ইসলাম গিনেটে ডেমোক্র্যাট পার্টির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও সর্ব আমেরিকান মুসলিম জোটের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকাকালীন সময়ে সমগ্র জর্জিয়ার ৬০০০০ নিবন্ধিত মুসলিম ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন, যা ছিলো একটি জর্জিয়ার ইতিহাসে দুঃসাধ্য রেকর্ড ।

নাবিলা ২০১৬ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারনায় বিজিত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সাথে কাজ করেছেন। আবার জাতীয় ডেমোক্র্যাট কমিটিতেও ছিলেন। পার্টির জন্য তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চাঁদা সংগ্রহ করেছেন।

আমেরিকার আলোচিত জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকান্ডের পরে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও ভূমিকার পুরষ্কার হিসেবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের দল ডেমোক্র্যাট পার্টির টিকেট পান ও রেকর্ড গড়ে ডিষ্ট্রিক্ট ৭ থেকে ৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

বিজয়ী হয়ে নাবিলা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "এখন আমাকে ১০ গুন পরিশ্রম করতে হবে। আমার কমিউনিটি আমার কাছে অনেক কিছু, এজন্য আমি হাল ছাড়ি নি।"