শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

সাপ বিশ্বাস করা যায়, তবু বিএনপি নয়ঃনানক

#
news image

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন সাপকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু বিএনপি-জামাত জোটকে বিশ্বাস করা যায় না। আমরা এই বিষধর সাপকে নিয়ে আমরা অত্যন্ত সতর্ক। দেশবাসীও সতর্ক।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির পক্ষ থেকে মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তখন বিএনপি নামক দলটি দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও পলাতক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। তারা অনেক পরিকল্পনা করছে দেশের ভিতর অস্থিতিশীলতার জন্য।

তিনি বলেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির দেশের মানুষের প্রতি যদি কর্তব্যবোধ থাকে, মমত্ববোধ থাকে, তাহলে তাদের সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তারা আর কালবিলম্ব করতে চায় না। তাদের দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা ও লন্ডনে অবস্থানরত তারেককে দেশে ফিরে আনাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এই দলটির দেশের প্রতি কোনো মমত্ববোধ, দায়িত্ববোধ নেই।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে নানক আরও বলেন, ঢাকাবাসীকে যদি অশান্ত করেন, বিশৃঙ্খলা করেন, অরাজকতা সৃষ্টি করেন তাহলে আমাদের তো সন্দেহ থেকেই যায়। ২০১৪ সালে এই বিএনপি-জামাত এদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। বাস পুড়িয়েছে, মানুষ পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে। রেললাইন উপড়ে ফেলেছে, রেলস্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছে। কাজেই সাপকে বিশ্বাস করা যায়; কিন্তু বিএনপি-জামাতকে বিশ্বাস করা যায় না।

 এ সময় নানকে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি প্রমুখ।

 

 

অনলাইন ডেস্ক

২২ নভেম্বর, ২০২২,  2:59 AM

news image

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন সাপকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু বিএনপি-জামাত জোটকে বিশ্বাস করা যায় না। আমরা এই বিষধর সাপকে নিয়ে আমরা অত্যন্ত সতর্ক। দেশবাসীও সতর্ক।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির পক্ষ থেকে মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তখন বিএনপি নামক দলটি দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও পলাতক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। তারা অনেক পরিকল্পনা করছে দেশের ভিতর অস্থিতিশীলতার জন্য।

তিনি বলেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির দেশের মানুষের প্রতি যদি কর্তব্যবোধ থাকে, মমত্ববোধ থাকে, তাহলে তাদের সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তারা আর কালবিলম্ব করতে চায় না। তাদের দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা ও লন্ডনে অবস্থানরত তারেককে দেশে ফিরে আনাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এই দলটির দেশের প্রতি কোনো মমত্ববোধ, দায়িত্ববোধ নেই।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে নানক আরও বলেন, ঢাকাবাসীকে যদি অশান্ত করেন, বিশৃঙ্খলা করেন, অরাজকতা সৃষ্টি করেন তাহলে আমাদের তো সন্দেহ থেকেই যায়। ২০১৪ সালে এই বিএনপি-জামাত এদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। বাস পুড়িয়েছে, মানুষ পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে। রেললাইন উপড়ে ফেলেছে, রেলস্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছে। কাজেই সাপকে বিশ্বাস করা যায়; কিন্তু বিএনপি-জামাতকে বিশ্বাস করা যায় না।

 এ সময় নানকে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি প্রমুখ।