শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

আন্দোলন ঠেকাতে অভিনব জঙ্গি নাটকঃ ফখরুল

#
news image

বিএনপির আন্দোলনকে ঠেকাতে সরকার নতুন নতুন ‘নাটক’ মঞ্চস্থ  করছে বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক ঐক্যের এক আলোচনা সভায় বলেন, আবার নতুন নাটক দেখলাম, আদালত পাড়া থেকে জঙ্গি ছিনতাই হয়ে যাওয়া।

“এগুলো সব নাটক তৈরি করা হচ্ছে। এসব নাটকের উদ্দেশ্য আছে। মানুষ তার চাহিদা নিয়ে, তার প্রাণের দাবিগুলো নিয়ে সামনে এগিয়ে আসছে। এই আন্দোলন যে শুরু হয়েছে, এটাকে ডাইভার্ট করে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া। এটা হচ্ছে তার মূল লক্ষ্য।”

হাতবোমার মামলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের আসামি করা নিয়ে ফখরুল বলেন, “আবার তারা শুরু করেছে পুরনো খেলা। ককটেল ফাটাতে দেখেনি কেউ, তবে মামলা দিয়েছে পুলিশ। বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা, কিন্তু সাক্ষী কিছুই জানেন না। কারণ ককটেলের কোনো শব্দই হয়নি, কেউ কিছু দেখেনি।

“অর্থাৎ তাদের সেই পুরনো খেলা শুরু হয়েছে- ঘটনা ঘটাবো আমরা আর মামলা খাবে তোমরা। সেই মামলার পেছনে তোমরা একমাস-দুই মাস ঝুলতে থাকবে। কোট-আদালত-জেলখানায় দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে। এর মধ্যে আমরা আমাদের কাজ শেষ করব।”

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে এমন সব ‘কৌশল’ নিচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনেপি মহাসচিব।

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে কোনো নির্বাচন হবে না, একথা আবারও বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, “আজকে পুলিশ প্রশাসনই বলুন আর সিভিল প্রশাসনই বলুন,সব তোষামুদে। কীভাবে এক নম্বর খুশি হবেন, সেই কাজই তারা সারাক্ষণ করতে থাকেন।”

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “এখন আওয়ামী লীগ আমাদের জন্য একটা বিশাল বোঝা হয়ে গেছে। এই জাতির জন্য বোঝা। এই বোঝাকে যদি কাঁধ থেকে সরাতে না পারি, তাহলে এদের সঙ্গে আমরা সবাই ডুবে যাব।”

ফখরুল বলেন, “বিভাগীয় লাস্ট সমাবেশ ঢাকায়, এর স্থান এখনও পর্যন্ত তারা দেয়নি। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলেছি, যেহেতু আমরা সবসময় আমাদের পার্টি অফিসের নয়া পল্টনে করি, আমরা অবশ্যই ১০ তারিখে সমাবেশ করব।

“সরকারকে পরিষ্কার করে বলতে চাই, ডিএমপি কমিশনারসহ সবাইকে, কোনো ঝামেলা না করে আমাদের এই সমাবেশ যাতে করতে পারি, এই ব্যবস্থা আপনারা করবেন।”

‘দেউ্লিয়াত্ব ঘোছাতে দুর্ভিক্ষের নাটক? দেশ কোন পথে?’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় ফখরুল ছাড়াও বিএনপির মিত্র বিভিন্ন দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ড. জাহিদ-উর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আওয়ামী লীগের সামনে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নেই। এখন বাজারের দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর প্রতিযোগিতা চলছে, দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট, এদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আসুন সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলি।”

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের এস এম আকরাম, মোমিনুল ইসলাম, জিন্নুর চৌধুরী দিপু, মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আক্তার হোসেন বক্তব্য রাখেন।

অনলাইন ডেস্ক

২৪ নভেম্বর, ২০২২,  2:14 AM

news image

বিএনপির আন্দোলনকে ঠেকাতে সরকার নতুন নতুন ‘নাটক’ মঞ্চস্থ  করছে বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক ঐক্যের এক আলোচনা সভায় বলেন, আবার নতুন নাটক দেখলাম, আদালত পাড়া থেকে জঙ্গি ছিনতাই হয়ে যাওয়া।

“এগুলো সব নাটক তৈরি করা হচ্ছে। এসব নাটকের উদ্দেশ্য আছে। মানুষ তার চাহিদা নিয়ে, তার প্রাণের দাবিগুলো নিয়ে সামনে এগিয়ে আসছে। এই আন্দোলন যে শুরু হয়েছে, এটাকে ডাইভার্ট করে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া। এটা হচ্ছে তার মূল লক্ষ্য।”

হাতবোমার মামলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের আসামি করা নিয়ে ফখরুল বলেন, “আবার তারা শুরু করেছে পুরনো খেলা। ককটেল ফাটাতে দেখেনি কেউ, তবে মামলা দিয়েছে পুলিশ। বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা, কিন্তু সাক্ষী কিছুই জানেন না। কারণ ককটেলের কোনো শব্দই হয়নি, কেউ কিছু দেখেনি।

“অর্থাৎ তাদের সেই পুরনো খেলা শুরু হয়েছে- ঘটনা ঘটাবো আমরা আর মামলা খাবে তোমরা। সেই মামলার পেছনে তোমরা একমাস-দুই মাস ঝুলতে থাকবে। কোট-আদালত-জেলখানায় দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে। এর মধ্যে আমরা আমাদের কাজ শেষ করব।”

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে এমন সব ‘কৌশল’ নিচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনেপি মহাসচিব।

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে কোনো নির্বাচন হবে না, একথা আবারও বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, “আজকে পুলিশ প্রশাসনই বলুন আর সিভিল প্রশাসনই বলুন,সব তোষামুদে। কীভাবে এক নম্বর খুশি হবেন, সেই কাজই তারা সারাক্ষণ করতে থাকেন।”

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “এখন আওয়ামী লীগ আমাদের জন্য একটা বিশাল বোঝা হয়ে গেছে। এই জাতির জন্য বোঝা। এই বোঝাকে যদি কাঁধ থেকে সরাতে না পারি, তাহলে এদের সঙ্গে আমরা সবাই ডুবে যাব।”

ফখরুল বলেন, “বিভাগীয় লাস্ট সমাবেশ ঢাকায়, এর স্থান এখনও পর্যন্ত তারা দেয়নি। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলেছি, যেহেতু আমরা সবসময় আমাদের পার্টি অফিসের নয়া পল্টনে করি, আমরা অবশ্যই ১০ তারিখে সমাবেশ করব।

“সরকারকে পরিষ্কার করে বলতে চাই, ডিএমপি কমিশনারসহ সবাইকে, কোনো ঝামেলা না করে আমাদের এই সমাবেশ যাতে করতে পারি, এই ব্যবস্থা আপনারা করবেন।”

‘দেউ্লিয়াত্ব ঘোছাতে দুর্ভিক্ষের নাটক? দেশ কোন পথে?’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় ফখরুল ছাড়াও বিএনপির মিত্র বিভিন্ন দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ড. জাহিদ-উর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আওয়ামী লীগের সামনে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নেই। এখন বাজারের দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর প্রতিযোগিতা চলছে, দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট, এদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আসুন সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলি।”

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের এস এম আকরাম, মোমিনুল ইসলাম, জিন্নুর চৌধুরী দিপু, মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আক্তার হোসেন বক্তব্য রাখেন।