শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

সৌদির কাছে হেরেও যে মন্ত্রে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

#
news image

বিশ্বজয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে এসে প্রথম ম্যাচেই সৌদি আরবের কাছে হারতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। প্রথম ম্যাচেই ঘিরে ধরেছিল ছিটকে যাওয়ার ভয়। কিন্তু সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন লিওনেল মেসিরা। শুধু ঘুরে দাঁড়ানো নয়, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে পড়েছেন তারা। কিন্তু কীভাবে ঘুরে দাঁড়াল দল? কোন মন্ত্রে হলো অসাধ্যসাধন?

সৌদির কাছে হারের পরে মেসি জানিয়েছিলেন, দলের সদস্যদের অবস্থা রীতিমতো মারা পড়ার মতো। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের ঘরে ঢুকে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না। রাতে খাবার খেতেও নামতে চাইছিলেন না কেউ।

সেই সময় দুটি সিদ্ধান্ত নেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। সবাইকে একসঙ্গে খাবার খেতে ডাকেন তিনি। তারপর থেকে মেসিরা একই সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ থেকে নৈশভোজ, সব করছেন। সেদিন খাবার খেতে খেতে স্কালোনি জানিয়েছিলেন, আর্জেন্টিনার অনুশীলনের সময় দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা করা হয়েছে। কাতারের গরমের সঙ্গে খাপ খাওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। স্কালোনি আরও জানিয়েছিলেন, ফুটবলাররা অনুশীলনে তাদের পরিবারকে নিয়ে আসতে পারবেন।

পরের দিন থেকে এক নতুন দৃশ্য দেখা যায় আর্জেন্টিনার অনুশীলনে। পরিবারের সামনে ফুরফুরে মেজাজে চলতে থাকে প্রস্তুতি। দলের মধ্যে যে বদ্ধ পরিবেশ ছিল তা হঠাৎ বদলে যায়। সেখান থেকে ফুটবলাররা নতুন করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে।

শুধু তাই নয়, দলে বেশ কয়েকটি বদল আনেন কোচ স্কালোনি। এনজো মার্তিনেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, নাহুয়েল মোলিনা ও মার্কোস আকুনার মতো ফুটবলাররা সুযোগ পান প্রথম একাদশে। খেলার ধরনও বদলে দেন স্কালোনি। ৩-৫-২ ফর্মেশনে চলে আসেন তিনি। রক্ষণ মজবুত করে মাঝমাঠ আরও শক্তিশালী করেন। পাবলো আইমার, ওয়াল্টার স্যামুয়েল ও রোবের্তো আয়ালার সঙ্গে বসে এই পরিকল্পনা করেন স্কালোনি।

এবারই নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন মেসি। দেশের হয়ে একমাত্র বিশ্বকাপ জেতা বাকি তার। এই ধারণা দলের বাকিদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছেন স্কালোনি। দলের ফুটবলাররা যতটা না নিজেদের জন্য খেলছেন, তার থেকে বেশি খেলছেন মেসিকে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য। তাই এখন আর মাঠে একা হয়ে পড়ছেন না মেসি। তার ফল পাচ্ছে আর্জেন্টিনা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

১৩ ডিসেম্বর, ২০২২,  10:26 PM

news image

বিশ্বজয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে এসে প্রথম ম্যাচেই সৌদি আরবের কাছে হারতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। প্রথম ম্যাচেই ঘিরে ধরেছিল ছিটকে যাওয়ার ভয়। কিন্তু সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন লিওনেল মেসিরা। শুধু ঘুরে দাঁড়ানো নয়, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে পড়েছেন তারা। কিন্তু কীভাবে ঘুরে দাঁড়াল দল? কোন মন্ত্রে হলো অসাধ্যসাধন?

সৌদির কাছে হারের পরে মেসি জানিয়েছিলেন, দলের সদস্যদের অবস্থা রীতিমতো মারা পড়ার মতো। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের ঘরে ঢুকে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না। রাতে খাবার খেতেও নামতে চাইছিলেন না কেউ।

সেই সময় দুটি সিদ্ধান্ত নেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। সবাইকে একসঙ্গে খাবার খেতে ডাকেন তিনি। তারপর থেকে মেসিরা একই সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ থেকে নৈশভোজ, সব করছেন। সেদিন খাবার খেতে খেতে স্কালোনি জানিয়েছিলেন, আর্জেন্টিনার অনুশীলনের সময় দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা করা হয়েছে। কাতারের গরমের সঙ্গে খাপ খাওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। স্কালোনি আরও জানিয়েছিলেন, ফুটবলাররা অনুশীলনে তাদের পরিবারকে নিয়ে আসতে পারবেন।

পরের দিন থেকে এক নতুন দৃশ্য দেখা যায় আর্জেন্টিনার অনুশীলনে। পরিবারের সামনে ফুরফুরে মেজাজে চলতে থাকে প্রস্তুতি। দলের মধ্যে যে বদ্ধ পরিবেশ ছিল তা হঠাৎ বদলে যায়। সেখান থেকে ফুটবলাররা নতুন করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে।

শুধু তাই নয়, দলে বেশ কয়েকটি বদল আনেন কোচ স্কালোনি। এনজো মার্তিনেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, নাহুয়েল মোলিনা ও মার্কোস আকুনার মতো ফুটবলাররা সুযোগ পান প্রথম একাদশে। খেলার ধরনও বদলে দেন স্কালোনি। ৩-৫-২ ফর্মেশনে চলে আসেন তিনি। রক্ষণ মজবুত করে মাঝমাঠ আরও শক্তিশালী করেন। পাবলো আইমার, ওয়াল্টার স্যামুয়েল ও রোবের্তো আয়ালার সঙ্গে বসে এই পরিকল্পনা করেন স্কালোনি।

এবারই নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন মেসি। দেশের হয়ে একমাত্র বিশ্বকাপ জেতা বাকি তার। এই ধারণা দলের বাকিদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছেন স্কালোনি। দলের ফুটবলাররা যতটা না নিজেদের জন্য খেলছেন, তার থেকে বেশি খেলছেন মেসিকে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য। তাই এখন আর মাঠে একা হয়ে পড়ছেন না মেসি। তার ফল পাচ্ছে আর্জেন্টিনা।