শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

‘আমি এখন রেকর্ড ম্যান’ : আনচেলত্তি

#
news image

 লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৪তম শিরোপা জয় করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এর মাধ্যমে কোচ হিসেবে  চারবার   ইউরোপীয়ান আসরের শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়েছেন কার্লোস আনচেলত্তি। এর আগে ২০০৩ ও ২০০৭ সালে এসি মিলানের হয়ে এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৪ সালে তিনটি শিরোপা জয় করেছিলেন।
চারবার শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বব পেইসলি (লিভারপুলের কোচ হিসেবে ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৮১) ও জিনেদিন জিদানকে (রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮) পিছনে ফেলেছেন। ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব আসরে তাই এখন সবচেয়ে সফল কোচ আনচেলত্তি। এর আগে খেলোয়াড় হিসেবে মিলানের হয়ে ১৯৮৯ ও ১৯৯০ সালে দুটি শিরোপা জয় করেছিলেন আনচেলত্তি।
কাল প্যারিসের ফাইনালে লিভারপুলকে পরাজিত করার পর আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমি এখন রেকর্ড ম্যান।’
৬২ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান বিটি স্পোর্টকে বলেছেন, ‘গত বছর ভাগ্যগুনে আমি এই ক্লাবে এসেছিলাম এবং দারুন একটি মৌসুম কাটিয়েছি। দুর্দান্ত একটি ক্লাবে দারুন প্রতিভাবান কিছু খেলোয়াড়ের সাথে কাজ করাটা সত্যিই সৌভাগ্যের। পুরো মৌসুমেই আমরা শীর্ষে ছিলাম।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখনো এটা বিশ^াস করতে পারছি না। এমন মৌসুমও কাটানো যায়, আমরা সত্যিকার অর্থেই দুর্দান্ত খেলেছি। আজকের ম্যাচটা বেশ কঠিন ছিল। লিভারপুলকে রুখতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথমার্ধটা আমরা খেলতেই পারিনি। কিন্তু ম্যাচের শেষে মনে হয়ছে এবারের শিরোপাটা  জয় করাটা আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমরা সত্যিই দারুন খুশী। এর থেকে বেশী কিছু বলার নেই।’
দলের মধ্যে আনচেলত্তি কখনই কারো উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেননা, সবসময়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খেলোয়াড়দের সাথে আলোচনা করেন। সেমিফাইনালের ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচটি যার প্রমান। আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা বেশ কয়েকটি কঠিন ম্যাচ পার করেই ফাইনালে উঠেছি। এই যাত্রায় সমর্থকরা আমাদের দারুনভাবে সহায়তা করেছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমরা দারুন খুশী।’

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৯ মে, ২০২২,  8:31 PM

news image

 লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৪তম শিরোপা জয় করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এর মাধ্যমে কোচ হিসেবে  চারবার   ইউরোপীয়ান আসরের শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়েছেন কার্লোস আনচেলত্তি। এর আগে ২০০৩ ও ২০০৭ সালে এসি মিলানের হয়ে এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৪ সালে তিনটি শিরোপা জয় করেছিলেন।
চারবার শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বব পেইসলি (লিভারপুলের কোচ হিসেবে ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৮১) ও জিনেদিন জিদানকে (রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮) পিছনে ফেলেছেন। ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব আসরে তাই এখন সবচেয়ে সফল কোচ আনচেলত্তি। এর আগে খেলোয়াড় হিসেবে মিলানের হয়ে ১৯৮৯ ও ১৯৯০ সালে দুটি শিরোপা জয় করেছিলেন আনচেলত্তি।
কাল প্যারিসের ফাইনালে লিভারপুলকে পরাজিত করার পর আনচেলত্তি বলেছেন, ‘আমি এখন রেকর্ড ম্যান।’
৬২ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান বিটি স্পোর্টকে বলেছেন, ‘গত বছর ভাগ্যগুনে আমি এই ক্লাবে এসেছিলাম এবং দারুন একটি মৌসুম কাটিয়েছি। দুর্দান্ত একটি ক্লাবে দারুন প্রতিভাবান কিছু খেলোয়াড়ের সাথে কাজ করাটা সত্যিই সৌভাগ্যের। পুরো মৌসুমেই আমরা শীর্ষে ছিলাম।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখনো এটা বিশ^াস করতে পারছি না। এমন মৌসুমও কাটানো যায়, আমরা সত্যিকার অর্থেই দুর্দান্ত খেলেছি। আজকের ম্যাচটা বেশ কঠিন ছিল। লিভারপুলকে রুখতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথমার্ধটা আমরা খেলতেই পারিনি। কিন্তু ম্যাচের শেষে মনে হয়ছে এবারের শিরোপাটা  জয় করাটা আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমরা সত্যিই দারুন খুশী। এর থেকে বেশী কিছু বলার নেই।’
দলের মধ্যে আনচেলত্তি কখনই কারো উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেননা, সবসময়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খেলোয়াড়দের সাথে আলোচনা করেন। সেমিফাইনালের ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচটি যার প্রমান। আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা বেশ কয়েকটি কঠিন ম্যাচ পার করেই ফাইনালে উঠেছি। এই যাত্রায় সমর্থকরা আমাদের দারুনভাবে সহায়তা করেছে। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমরা দারুন খুশী।’