শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

পদ্মা সেতু পার হয়ে স্বর্গে যাবেন মির্জা ফখরুল

#
news image

টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে স্বর্গে যাওয়ার স্লোগান দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

শুক্রবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বাড়ার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারা (সরকার) বলে উন্নয়ন, এত উন্নয়ন যে সোনা দিয়ে সব মুড়ে দিচ্ছে। আমাদের রুমিন ফারহানা গতকাল খুব ভালো বলেছেন যে, পদ্মা ব্রিজ হচ্ছে গোল্ডেন ব্রিজ। সোনা দিয়ে মোড়াই করা একটা ব্রিজ বানাইছে।

কার টাকায় আপনারা পদ্মা ব্রিজ বানিয়েছেন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, জনগণের টাকায়। জনগণের পকেট কেটে ট্যাক্স নিচ্ছেন। ভ্যাট, ট্যাক্স, অমুক ট্যাক্স তমুক ট্যাক্সের নামে মানুষের কাছ থেকে সব টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। আর কী করছেন? ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণের বোঝা বাংলাদেশের মানুষকে বইতে হবে। সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ৩০ হাজার কোটি টাকা করেছেন। আমরা জানতে চেয়েছি, বাকি টাকাগুলো আপনারা কীভাবে খরচ করলেন? খবর নিয়ে দেখবেন তার বেশির ভাগ টাকাই তাদের পকেটে গেছে। একটা লোকও বাকি নেই-সবগুলো টাকা চুরি করে তাদের পকেট ভারি করেছে, ব্যাংকে ভরেছে আর বিদেশে পাচার করেছে। এজন্য সিঙ্গাপুরে যদি যান দেখবেন, বড় বড় শপিংমল তৈরি হচ্ছে, বাড়ি তৈরি হচ্ছে। কারা মালিক? বাংলাদেশি লোকেরাই মালিক। কানাডায় যান ওখানে একটা বেগমপাড়া তৈরি হয়ে গেছে, মালয়েশিয়াতে যান সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। কারা? আওয়ামী লীগ নেতা-মন্ত্রীরা, তাদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীরা। এ লোকগুলোকে বড় লোক করার জন্য আমরা দেশ স্বাধীন করিনি, এ লোকগুলোকে চুরি-চামারি-লুণ্ঠন করার জন্য আমরা আমাদের রক্ত দেইনি। আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য, বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য।

মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ জুন, ২০২২,  8:33 PM

news image

টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে স্বর্গে যাওয়ার স্লোগান দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

শুক্রবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বাড়ার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারা (সরকার) বলে উন্নয়ন, এত উন্নয়ন যে সোনা দিয়ে সব মুড়ে দিচ্ছে। আমাদের রুমিন ফারহানা গতকাল খুব ভালো বলেছেন যে, পদ্মা ব্রিজ হচ্ছে গোল্ডেন ব্রিজ। সোনা দিয়ে মোড়াই করা একটা ব্রিজ বানাইছে।

কার টাকায় আপনারা পদ্মা ব্রিজ বানিয়েছেন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, জনগণের টাকায়। জনগণের পকেট কেটে ট্যাক্স নিচ্ছেন। ভ্যাট, ট্যাক্স, অমুক ট্যাক্স তমুক ট্যাক্সের নামে মানুষের কাছ থেকে সব টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। আর কী করছেন? ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণের বোঝা বাংলাদেশের মানুষকে বইতে হবে। সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ৩০ হাজার কোটি টাকা করেছেন। আমরা জানতে চেয়েছি, বাকি টাকাগুলো আপনারা কীভাবে খরচ করলেন? খবর নিয়ে দেখবেন তার বেশির ভাগ টাকাই তাদের পকেটে গেছে। একটা লোকও বাকি নেই-সবগুলো টাকা চুরি করে তাদের পকেট ভারি করেছে, ব্যাংকে ভরেছে আর বিদেশে পাচার করেছে। এজন্য সিঙ্গাপুরে যদি যান দেখবেন, বড় বড় শপিংমল তৈরি হচ্ছে, বাড়ি তৈরি হচ্ছে। কারা মালিক? বাংলাদেশি লোকেরাই মালিক। কানাডায় যান ওখানে একটা বেগমপাড়া তৈরি হয়ে গেছে, মালয়েশিয়াতে যান সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। কারা? আওয়ামী লীগ নেতা-মন্ত্রীরা, তাদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীরা। এ লোকগুলোকে বড় লোক করার জন্য আমরা দেশ স্বাধীন করিনি, এ লোকগুলোকে চুরি-চামারি-লুণ্ঠন করার জন্য আমরা আমাদের রক্ত দেইনি। আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য, বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য।

মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।