শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

আমতলীতে তুচ্ছ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রকে মারধর

#
news image

শিক্ষককে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে যাওয়ার অপরাধে মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন নামের এক নাজেরা শ্রেনীর ছাত্রকে শিক্ষক আব্দুল হাই মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ছাত্রকে বাবা ওবায়দুল্লাহ গত এক মাস যাবৎ চিকিৎসা করাচ্ছেন। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে আমতলী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার পাতাকাটা রহিমিয়া দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায়।  


জানাগেছে, উপজেলার পাতাকাটা গ্রামের ওবায়দুল্লার ছেলে আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায় নাজেরা শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। গত ৯ মার্চ রাতে ইমামুদ্দিন শিক্ষক আব্দুল হাইকে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল হাই শিশু ইমামুদ্দিনকে মারধর করে। তার মারধরে শিশুটির কানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। স্বজনরা ১০ মার্চ শিশু ইমামুদ্দিনকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। এতে তার অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা শিশুটিকে বরিশাল শেরই-বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ এসএম মেসবাহ উদ্দিন আহম্মেদের স্বরনাপন্ন হন। গত একমাস ধরে ওই চিকিৎসকের অধিনে তার চিকিৎসা চলছে। এদিকে ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাই ছাত্র ইমামুদ্দিনের কোন খোজ খবর নেয়নি।  এ ঘটনার শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ গতকাল রবিবার  বিচার চাইলে গেলে শিক্ষক আব্দুল হাই ও মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা মোঃ রফিক তাকে উল্টো জীবন নাশের হুমকি  দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ওবায়দুল্লাহ। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ মাদ্রাসা শিক্ষক ও পরিচালকের নামে আমতলী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। 


 শিশু আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, হুজুর আব্দুল হাইকে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে গেলে আমাকে মারধর করে কান ফাটিয়ে দিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।


শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমার ছেলেকে মারধরের বিচার চাইতে গেলে শিক্ষক আব্দুল হাই ও পরিচালক মাওলানা রফিক আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিয়েছেন।


এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আব্দুল হাইয়ের সাথে মুঠোফোনে (০১৮২৩৪১২৫২১) যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।


মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা রফিক মাদ্রাসা শিক্ষকের মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, শিশুটির চিকিৎসা জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে টাকা দিয়েছি।  


আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রখ/ সাদ্দাম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

১১ এপ্রিল, ২০২২,  7:34 AM

news image

শিক্ষককে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে যাওয়ার অপরাধে মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন নামের এক নাজেরা শ্রেনীর ছাত্রকে শিক্ষক আব্দুল হাই মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ছাত্রকে বাবা ওবায়দুল্লাহ গত এক মাস যাবৎ চিকিৎসা করাচ্ছেন। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে আমতলী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার পাতাকাটা রহিমিয়া দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায়।  


জানাগেছে, উপজেলার পাতাকাটা গ্রামের ওবায়দুল্লার ছেলে আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায় নাজেরা শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। গত ৯ মার্চ রাতে ইমামুদ্দিন শিক্ষক আব্দুল হাইকে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল হাই শিশু ইমামুদ্দিনকে মারধর করে। তার মারধরে শিশুটির কানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। স্বজনরা ১০ মার্চ শিশু ইমামুদ্দিনকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। এতে তার অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা শিশুটিকে বরিশাল শেরই-বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ এসএম মেসবাহ উদ্দিন আহম্মেদের স্বরনাপন্ন হন। গত একমাস ধরে ওই চিকিৎসকের অধিনে তার চিকিৎসা চলছে। এদিকে ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাই ছাত্র ইমামুদ্দিনের কোন খোজ খবর নেয়নি।  এ ঘটনার শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ গতকাল রবিবার  বিচার চাইলে গেলে শিক্ষক আব্দুল হাই ও মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা মোঃ রফিক তাকে উল্টো জীবন নাশের হুমকি  দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ওবায়দুল্লাহ। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ মাদ্রাসা শিক্ষক ও পরিচালকের নামে আমতলী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। 


 শিশু আব্দুল্লাহ আল ইমামুদ্দিন কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, হুজুর আব্দুল হাইকে না বলে টিওবয়েলে পানি আনতে গেলে আমাকে মারধর করে কান ফাটিয়ে দিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।


শিশুটির বাবা ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমার ছেলেকে মারধরের বিচার চাইতে গেলে শিক্ষক আব্দুল হাই ও পরিচালক মাওলানা রফিক আমাকে জীবন নাশের হুমকি দিয়েছেন।


এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আব্দুল হাইয়ের সাথে মুঠোফোনে (০১৮২৩৪১২৫২১) যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।


মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা রফিক মাদ্রাসা শিক্ষকের মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, শিশুটির চিকিৎসা জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে টাকা দিয়েছি।  


আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রখ/ সাদ্দাম