শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখে মেটা

#
news image

ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ও বড় আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। গত কয়েক মাসের বিজ্ঞাপন সেলস কমে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র।

গত তিন মাসেই মেটার মোট সম্পত্তির ১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৮ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ফেসবুকের পাশাপাশি টিকটকসহ অন্যান্য সমমনা প্লাটফর্মগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বের বিজ্ঞাপনী মার্কেটের মোট ২০ শতাংশ ফেসবুকের দখলে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থান ধরে রাখলেও মহামারির পর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া অনলাইনের বিজ্ঞাপনী বাজারে ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানের এমন অবস্থায় মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, আগামী বছর প্রতিষ্ঠানটি নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হবে। বেশি বেশি নতুন লোক কোম্পানিতে যুক্ত না করে, নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ করবে। বিশেষ করে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্লাটফর্ম বা বহুল আলোচিত মেটাভার্স প্রজেক্টে বিনিয়োগ বাড়াবে।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ইকুয়েটি অ্যানালিস্ট অ্যাঙ্গেলো জিনো জানিয়েছেন, মেটা তার ব্যবহারকারীদের ধরে রাখতে রীতিমত যুদ্ধ করছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, মেটা বর্তমানে ‌‘নো গ্রাথ' কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। 

অবশ্য চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রথমবারে মতো প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের নিয়মিত গ্রাহক কমছে। যা কপালে ভাঁজ পড়ার মতোই।  

অপরদিকে মেটার আরেক সহযোগী প্রতিষ্ঠান হোয়াটস্যাপেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তাছাড়া ফেসবুকের নিউজ ফিড পরিবর্তন করে টিকটকের মতো করার চেষ্টা চালাচ্ছে মেটার ডেভেলপাররা। 

গত জুন পর্যন্ত ফেসবুকে প্রতিদিন গড়ে ১.৯৭ বিলিয়ন মানুষ লগইন করেছেন। তবে ফেসবুক অ্যাপ থেকে এই সংখ্যা একটু বেশি। সেখানে গড়ে ২.৮৮ বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন লগইন করেছেন।

এরপরেও প্রতিষ্ঠানটি বছরের মাঝামাঝি এসে ৬.৭ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য হারিয়েছে। এ নিয়ে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, সত্যিকার অর্থেই মেটা একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত সময়ে উন্নতির পদ খুঁজে বের করছি। নতুন বিনিয়োগের দিকে যাচ্ছি।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৮ জুলাই, ২০২২,  10:52 PM

news image

ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ও বড় আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। গত কয়েক মাসের বিজ্ঞাপন সেলস কমে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র।

গত তিন মাসেই মেটার মোট সম্পত্তির ১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৮ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ফেসবুকের পাশাপাশি টিকটকসহ অন্যান্য সমমনা প্লাটফর্মগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বের বিজ্ঞাপনী মার্কেটের মোট ২০ শতাংশ ফেসবুকের দখলে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থান ধরে রাখলেও মহামারির পর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া অনলাইনের বিজ্ঞাপনী বাজারে ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

প্রতিষ্ঠানের এমন অবস্থায় মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, আগামী বছর প্রতিষ্ঠানটি নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হবে। বেশি বেশি নতুন লোক কোম্পানিতে যুক্ত না করে, নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ করবে। বিশেষ করে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্লাটফর্ম বা বহুল আলোচিত মেটাভার্স প্রজেক্টে বিনিয়োগ বাড়াবে।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ইকুয়েটি অ্যানালিস্ট অ্যাঙ্গেলো জিনো জানিয়েছেন, মেটা তার ব্যবহারকারীদের ধরে রাখতে রীতিমত যুদ্ধ করছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, মেটা বর্তমানে ‌‘নো গ্রাথ' কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। 

অবশ্য চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রথমবারে মতো প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের নিয়মিত গ্রাহক কমছে। যা কপালে ভাঁজ পড়ার মতোই।  

অপরদিকে মেটার আরেক সহযোগী প্রতিষ্ঠান হোয়াটস্যাপেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তাছাড়া ফেসবুকের নিউজ ফিড পরিবর্তন করে টিকটকের মতো করার চেষ্টা চালাচ্ছে মেটার ডেভেলপাররা। 

গত জুন পর্যন্ত ফেসবুকে প্রতিদিন গড়ে ১.৯৭ বিলিয়ন মানুষ লগইন করেছেন। তবে ফেসবুক অ্যাপ থেকে এই সংখ্যা একটু বেশি। সেখানে গড়ে ২.৮৮ বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন লগইন করেছেন।

এরপরেও প্রতিষ্ঠানটি বছরের মাঝামাঝি এসে ৬.৭ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য হারিয়েছে। এ নিয়ে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, সত্যিকার অর্থেই মেটা একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত সময়ে উন্নতির পদ খুঁজে বের করছি। নতুন বিনিয়োগের দিকে যাচ্ছি।