শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্মের সীম চাষ রাজশাহীর কৃষকদের স্বচ্ছলতা এনেছে

#
news image

বরেন্দ্রভূমিসহ এই অঞ্চলে গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্মের সীম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠছে। এতে তারা খুব খুশী।
সীম সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও গ্রীষ্মকালে এর চাষ করা হচ্ছে। এতে উৎপাদনকারী এবং ভোক্তা উভয়ই খুশী। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে নিয়মিতভাবে সীম দেখা যাচ্ছে।
নগরীর সুলতানাবাদ এলাকার গৃহিনী আম্বিয়া ফেরদৌসী খানম বলেন, ‘আমি গত এক মাস ধরে স্থানীয় কাঁচা বাজার ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে সীম কিনছি।’
খুঁচরা বাজারে গত কয়েকদিন ধরে দেড়শ’ থেকে দুইশ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ফেরদৌসী বলেন, ‘সীম আমার পছন্দের একটি সবজি এবং আমরা তা শীতকালের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালেও পাচ্ছি।’
গোদাগাড়ী উপজেলার ধরমপুর গ্রামের কৃষক পিয়ারুল ইসলাম বলেন, সীম চাষের মাধ্যমে তিনি সফল হয়েছেন এবং স্বচ্ছল হয়েছেন।
তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘আমি গত বছর দশ কাঠা জমিতে সবজি চাষ করে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছি।’
তিনি বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করে চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে সবজি চাষ করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লাভজনক দামে  বিক্রি করছেন।
ইসলাম বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে সীম চাষ করতে কৃষকদের খরচ হয় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং গড়ে প্রতি বিঘায় দেড়শ’ থেকে দুইশ’ মণ সীম পাওয়া যায়।
পুরাখালী গ্রামের অন্য আরেক কৃষক বাবুল আকতার (৫৬) বলেন, গত বছর চার কাঠা জমিতে সবজি চাষে সফলতা পেয়ে এবছর ১২ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন।
আগে মানুষ শুধুমাত্র শীত মৌসুমে বসতবাড়ি এবং ছাদে সবজি চাষ করতো। কিন্তু বর্তমানে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে ফসলি জমিতে অর্থকরী ফসল চাষ করা হচ্ছে।
কানতাপাশা গ্রামের কৃষক আহাদ আলী বলেন, তিনি চলতি বছর ছয় বিঘা জমিতে সীম চাষ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মাস্টার ডিগ্রী শেষ করে আমি একটি স্কুলে যোগদান করেছি। সেইসঙ্গে  লাভজনক হওয়ায় সীম চাষ শুরু করেছি।’
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার বাসসকে বলেন, অনেক লোককে সবজি চাষ করতে দেখা যায় এবং কৃষি কর্মকর্তারা সীমের উৎপাদন বাড়াতে তৃণমূল কৃষকদের প্রযুক্তিগত ও অনুপ্রেরণামূলক সহায়তা দিচ্ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, কৃষকরা ঘৃত কাঞ্চন, রূপবান ও অটো এই তিন জাতের বীজ বুনছে এবং এইসব বীজগুলি উচ্চফলনশীল হওয়ায় তারা অতিরিক্ত লাভ পাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় অনেক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে সীম চাষে নিয়োজিত।
ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার রির্সোর্স ম্যানেজমেন্টের প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, সীম চাষ এই অঞ্চলের অনেক কৃষকের ভাগ্য গড়ার একটি কার্যকরী মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর, ২০২২,  9:32 PM

news image

বরেন্দ্রভূমিসহ এই অঞ্চলে গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্মের সীম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠছে। এতে তারা খুব খুশী।
সীম সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও গ্রীষ্মকালে এর চাষ করা হচ্ছে। এতে উৎপাদনকারী এবং ভোক্তা উভয়ই খুশী। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে নিয়মিতভাবে সীম দেখা যাচ্ছে।
নগরীর সুলতানাবাদ এলাকার গৃহিনী আম্বিয়া ফেরদৌসী খানম বলেন, ‘আমি গত এক মাস ধরে স্থানীয় কাঁচা বাজার ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে সীম কিনছি।’
খুঁচরা বাজারে গত কয়েকদিন ধরে দেড়শ’ থেকে দুইশ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ফেরদৌসী বলেন, ‘সীম আমার পছন্দের একটি সবজি এবং আমরা তা শীতকালের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালেও পাচ্ছি।’
গোদাগাড়ী উপজেলার ধরমপুর গ্রামের কৃষক পিয়ারুল ইসলাম বলেন, সীম চাষের মাধ্যমে তিনি সফল হয়েছেন এবং স্বচ্ছল হয়েছেন।
তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘আমি গত বছর দশ কাঠা জমিতে সবজি চাষ করে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছি।’
তিনি বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করে চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে সবজি চাষ করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লাভজনক দামে  বিক্রি করছেন।
ইসলাম বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে সীম চাষ করতে কৃষকদের খরচ হয় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং গড়ে প্রতি বিঘায় দেড়শ’ থেকে দুইশ’ মণ সীম পাওয়া যায়।
পুরাখালী গ্রামের অন্য আরেক কৃষক বাবুল আকতার (৫৬) বলেন, গত বছর চার কাঠা জমিতে সবজি চাষে সফলতা পেয়ে এবছর ১২ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন।
আগে মানুষ শুধুমাত্র শীত মৌসুমে বসতবাড়ি এবং ছাদে সবজি চাষ করতো। কিন্তু বর্তমানে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে ফসলি জমিতে অর্থকরী ফসল চাষ করা হচ্ছে।
কানতাপাশা গ্রামের কৃষক আহাদ আলী বলেন, তিনি চলতি বছর ছয় বিঘা জমিতে সীম চাষ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মাস্টার ডিগ্রী শেষ করে আমি একটি স্কুলে যোগদান করেছি। সেইসঙ্গে  লাভজনক হওয়ায় সীম চাষ শুরু করেছি।’
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার বাসসকে বলেন, অনেক লোককে সবজি চাষ করতে দেখা যায় এবং কৃষি কর্মকর্তারা সীমের উৎপাদন বাড়াতে তৃণমূল কৃষকদের প্রযুক্তিগত ও অনুপ্রেরণামূলক সহায়তা দিচ্ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, কৃষকরা ঘৃত কাঞ্চন, রূপবান ও অটো এই তিন জাতের বীজ বুনছে এবং এইসব বীজগুলি উচ্চফলনশীল হওয়ায় তারা অতিরিক্ত লাভ পাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় অনেক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে সীম চাষে নিয়োজিত।
ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার রির্সোর্স ম্যানেজমেন্টের প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, সীম চাষ এই অঞ্চলের অনেক কৃষকের ভাগ্য গড়ার একটি কার্যকরী মাধ্যম হয়ে উঠেছে।