শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

যাদের জন্য আম ক্ষতিকর

#
news image

মধুমাস চলছে। এ মৌসুমের সেরা ফল আম। আম খুবই সুস্বাদু একটি ফল। সবারই পছন্দের এই ফল স্বাদে খুবই মিষ্টি ও রসালো হয়। তবে জানেন কি, কারও কারও ক্ষেত্রে অতি সুস্বাদু ফলটিই হতে পারে ক্ষতির কারণ।
যদিও অস্বীকার করার কারণ নেই যে আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। অন্যান্য ফলের তুলনায়, আমে উদ্ভিদ যৌগ ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এই ফলে থাকা পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তবে আমের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, আম কাদের জন্য ক্ষতিকর-

আম কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যদি কারও সিন্থেটিক উপাদানের প্রতি অ্যালার্জি থাকে, তাহলে আমের প্রোটিন ল্যাটেক্স তাদের শরীরে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে। তাই যাদের অ্যালার্জি আছে তারা আম খাওয়ার আগে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন।

আমে প্রাকৃতিকভাবেই শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। যা শরীরে শর্করার পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক চিনিও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা আম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমের জাত অনুযায়ী এতে ফাইবারের পরিমাণও কমবেশি হয়। তবে আমের বীজ ও খোসায় সর্বাধিক ফাইবার থাকে। যা সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। আবার আমের বীজ বা খোসা খেলেও তা হজম হতে চায় না।

একসঙ্গে অনেকগুলো আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর কারণ হলো অন্যান্য খাবারের তুলনায় আমে ফাইবার কম থাকে। অন্যদিকে এতে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ ও ক্যালোরি বেশি থাকে। যা ওজন বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। কারণ এতে অত্যধিক জিআই থাকে। আমে গাঁজনযোগ্য কার্বোহাইড্রেট থাকায় তা আইবিএস ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) দেখা দিতে পারে। 
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১৯ মে, ২০২২,  9:53 PM

news image

মধুমাস চলছে। এ মৌসুমের সেরা ফল আম। আম খুবই সুস্বাদু একটি ফল। সবারই পছন্দের এই ফল স্বাদে খুবই মিষ্টি ও রসালো হয়। তবে জানেন কি, কারও কারও ক্ষেত্রে অতি সুস্বাদু ফলটিই হতে পারে ক্ষতির কারণ।
যদিও অস্বীকার করার কারণ নেই যে আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। অন্যান্য ফলের তুলনায়, আমে উদ্ভিদ যৌগ ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এই ফলে থাকা পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তবে আমের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, আম কাদের জন্য ক্ষতিকর-

আম কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যদি কারও সিন্থেটিক উপাদানের প্রতি অ্যালার্জি থাকে, তাহলে আমের প্রোটিন ল্যাটেক্স তাদের শরীরে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে। তাই যাদের অ্যালার্জি আছে তারা আম খাওয়ার আগে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন।

আমে প্রাকৃতিকভাবেই শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। যা শরীরে শর্করার পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক চিনিও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা আম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমের জাত অনুযায়ী এতে ফাইবারের পরিমাণও কমবেশি হয়। তবে আমের বীজ ও খোসায় সর্বাধিক ফাইবার থাকে। যা সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। আবার আমের বীজ বা খোসা খেলেও তা হজম হতে চায় না।

একসঙ্গে অনেকগুলো আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর কারণ হলো অন্যান্য খাবারের তুলনায় আমে ফাইবার কম থাকে। অন্যদিকে এতে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ ও ক্যালোরি বেশি থাকে। যা ওজন বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। কারণ এতে অত্যধিক জিআই থাকে। আমে গাঁজনযোগ্য কার্বোহাইড্রেট থাকায় তা আইবিএস ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) দেখা দিতে পারে। 
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।