শিরোনামঃ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী

আয়কর আইনজীবির ভূমিকায় শাপলা!

#
news image

বাংলাদেশি স্টার্ট আপ শাপলা সম্প্রতি শাপলা ট্যাক্স নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম শুরু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের নাগরিকেরা অনলাইনে তাদের ট্যাক্স হিসাবসহ দিতে পারবেন।

এ নতুন বি-টু-সি প্ল্যাটফর্মটি সহজ ও কার্যকরভাবে ট্যাক্স ফাইল ও রিটার্নের জটিল প্রক্রিয়াটি সয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে ইচ্ছা পোষণ করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬৯ মিলিয়ন যার মধ্যে মাত্র ৬.৭ মিলিয়ন ট্যাক্স দেয়। এ সংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ। সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় সরকারের পক্ষ থেকে দুই লাখ বাংলাদেশি টাকার চেয়ে বেশি মুনাফা হয় এমন অনলাইন ব্যবসা উদ্যোগগুলোর জন্য ট্যাক্স দেওয়া ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য শূন্য ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শাপলা ট্যাক্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ জটিল ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ট্যাক্স জমা দেওয়ার ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে যারা ট্যাক্স দেন তাদের সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।  

আমাদের দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ম্যানুয়ালভাবেই সাধারণত ট্যাক্স দিতে কাজ করতে হয় যা আসলেই ঝামেলাপূর্ণ। এ নতুন ফিচারটি ইতোমধ্যেই বেশ কয়জন ইউজার ২০২১-২০২২ সালে ব্যবহার করেছেন। শাপলা এসব ট্যাক্স দেওয়া ব্যক্তিদের জীবন সহজ করতে বিনামূল্যে ট্যাক্স ক্যালকুলেটরও তৈরি করেছে। আর এ স্বংয়ক্রিয় ব্যবস্থায় ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে চলে পুরো প্রক্রিয়াটি।

‘বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ট্যাক্স দেওয়া জনগণের প্রত্যেককে ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা ব্যয় করতে হয় যদি তারা আইনজীবী বা ট্যাক্স অ্যাকাউন্টেন্টের সেবা নেন। এতে যথেষ্ট সময় ও পরিশ্রম লাগে যা চরম ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় চলে। ’ বলে জানান শাপলার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তাসনিম মোর্তজা।

তিনি বলেন, ‘শাপলা এ জটিল প্রক্রিয়াটি সহজভাবে ২০০০ টাকার মধ্যে করিয়ে দিতে পারে। আর তা ট্যাক্স আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়ার পর। এভাবে শাপলা সবার জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে। শাপলা ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ট্যাক্স হিসাব ও ফাইল করা এবং ট্যাক্স দেওয়ার ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বদ্ধ পরিকর। ’

শাপলা ট্যাক্সের একজন গ্রাহক, পাঠাও এর সহ প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেন, ‘আমি ট্যাক্স হিসাব করতে খুবই অপছন্দ করি। এবছর আমার তা করতে হয়নি। শাপলাই করে দিয়েছে আমার হয়ে। ’

বিকাশ লিমিটেডের অনলাইন পেমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আফনান ইবনে হাশেমও শাপলার আরেকজন গ্রাহক।

তিনি বলেন, ‘আমার ট্যাক্স ফাইল করা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। গত চার বছর ধরে স্বাচ্ছন্দ্য সহকারে আমার ট্যাক্সের সব কাজ করতে পারার জন্য শাপলাই ধন্যবাদের দাবিদার। স্কুলে কেন শেখায় না ট্যাক্স হিসাব করা! শাপলা এ প্রক্রিয়াটিকে করেছে অত্যন্ত সহজ ও স্বচ্ছ। তাদের সেবা আমার খুব ভালো লেগেছে। ’ 

শাপলা ২০২১ সালে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ছুটি ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বেতনের জন্য পে রোল সল্যুশন এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট মডিউল তৈরিসহ বিভিন্ন সেবা দিয়েছে ৫০টিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া তারা বিভিন্ন কোম্পানিকে মানি লিকেজ জনিত আর্থিক লোকসান ঠেকাতে, প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা আনতে ও কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কর্মীদের সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়তা দিয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক

১০ নভেম্বর, ২০২২,  12:38 AM

news image

বাংলাদেশি স্টার্ট আপ শাপলা সম্প্রতি শাপলা ট্যাক্স নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম শুরু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের নাগরিকেরা অনলাইনে তাদের ট্যাক্স হিসাবসহ দিতে পারবেন।

এ নতুন বি-টু-সি প্ল্যাটফর্মটি সহজ ও কার্যকরভাবে ট্যাক্স ফাইল ও রিটার্নের জটিল প্রক্রিয়াটি সয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে ইচ্ছা পোষণ করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬৯ মিলিয়ন যার মধ্যে মাত্র ৬.৭ মিলিয়ন ট্যাক্স দেয়। এ সংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ। সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় সরকারের পক্ষ থেকে দুই লাখ বাংলাদেশি টাকার চেয়ে বেশি মুনাফা হয় এমন অনলাইন ব্যবসা উদ্যোগগুলোর জন্য ট্যাক্স দেওয়া ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য শূন্য ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শাপলা ট্যাক্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ জটিল ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ট্যাক্স জমা দেওয়ার ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে যারা ট্যাক্স দেন তাদের সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।  

আমাদের দেশে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ম্যানুয়ালভাবেই সাধারণত ট্যাক্স দিতে কাজ করতে হয় যা আসলেই ঝামেলাপূর্ণ। এ নতুন ফিচারটি ইতোমধ্যেই বেশ কয়জন ইউজার ২০২১-২০২২ সালে ব্যবহার করেছেন। শাপলা এসব ট্যাক্স দেওয়া ব্যক্তিদের জীবন সহজ করতে বিনামূল্যে ট্যাক্স ক্যালকুলেটরও তৈরি করেছে। আর এ স্বংয়ক্রিয় ব্যবস্থায় ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে চলে পুরো প্রক্রিয়াটি।

‘বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ট্যাক্স দেওয়া জনগণের প্রত্যেককে ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা ব্যয় করতে হয় যদি তারা আইনজীবী বা ট্যাক্স অ্যাকাউন্টেন্টের সেবা নেন। এতে যথেষ্ট সময় ও পরিশ্রম লাগে যা চরম ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় চলে। ’ বলে জানান শাপলার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তাসনিম মোর্তজা।

তিনি বলেন, ‘শাপলা এ জটিল প্রক্রিয়াটি সহজভাবে ২০০০ টাকার মধ্যে করিয়ে দিতে পারে। আর তা ট্যাক্স আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়ার পর। এভাবে শাপলা সবার জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে। শাপলা ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ট্যাক্স হিসাব ও ফাইল করা এবং ট্যাক্স দেওয়ার ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বদ্ধ পরিকর। ’

শাপলা ট্যাক্সের একজন গ্রাহক, পাঠাও এর সহ প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেন, ‘আমি ট্যাক্স হিসাব করতে খুবই অপছন্দ করি। এবছর আমার তা করতে হয়নি। শাপলাই করে দিয়েছে আমার হয়ে। ’

বিকাশ লিমিটেডের অনলাইন পেমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আফনান ইবনে হাশেমও শাপলার আরেকজন গ্রাহক।

তিনি বলেন, ‘আমার ট্যাক্স ফাইল করা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। গত চার বছর ধরে স্বাচ্ছন্দ্য সহকারে আমার ট্যাক্সের সব কাজ করতে পারার জন্য শাপলাই ধন্যবাদের দাবিদার। স্কুলে কেন শেখায় না ট্যাক্স হিসাব করা! শাপলা এ প্রক্রিয়াটিকে করেছে অত্যন্ত সহজ ও স্বচ্ছ। তাদের সেবা আমার খুব ভালো লেগেছে। ’ 

শাপলা ২০২১ সালে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ছুটি ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বেতনের জন্য পে রোল সল্যুশন এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট মডিউল তৈরিসহ বিভিন্ন সেবা দিয়েছে ৫০টিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া তারা বিভিন্ন কোম্পানিকে মানি লিকেজ জনিত আর্থিক লোকসান ঠেকাতে, প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা আনতে ও কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কর্মীদের সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়তা দিয়েছে।