শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কার্ডের ছড়াছড়ি

#
news image

গতকাল কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ডের মুখ দেখলেন স্বাগতিক দেশ কাতারের গোলরক্ষক সাদ আল শিব। এই গোলরক্ষকের হলুদ কার্ডেই পেনাল্টি পেয়ে যায় ইকুয়েডর, আর তাতেই ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভ্যালেন্সিয়ার দল। 

এরপর প্রথমার্ধে আরো দুটি হলুদ কার্ড দেখে কাতার। ম্যাচের ২২ ও ৩৬ মিনিটে কার্ড দেখেন আল মোয়াজ আলি এবং কারিম বউদিয়াফ। এর কিছুক্ষণ পরেই ইকুয়েডরের কাইসেদো একটি হলুদ  কার্ড দেখলে প্রথমার্ধ শেষে ৪টি হলুদ কার্ড দেখাতে হয় রেফারিকে।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে ইকুয়েডরের খেলোয়াড় মেন্ডেজ ফাউল করে বসলে হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। এরপর ৭৮ মিনিটে কাতারের আকরাম আফিফ হলুদ কার্ড দেখলে ৬টি কার্ডের রেকর্ড হয় এই ম্যাচে। আর তাতেই ১৯৯৪ সালের উদ্বোধনী ম্যাচের পর সর্বোচ্চ কার্ডের ম্যাচে পরিণত হয় এবারের আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ। এর আগে ১৯৯৪ তে জার্মানি আর বলিভিয়ার ম্যাচে ৬ হলুদ কার্ডের পাশাপাশি একটি লাল কার্ডও দেখাতে হয়েছিলো রেফারিকে।

অনলাইন ডেস্ক

২২ নভেম্বর, ২০২২,  1:58 AM

news image

গতকাল কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ডের মুখ দেখলেন স্বাগতিক দেশ কাতারের গোলরক্ষক সাদ আল শিব। এই গোলরক্ষকের হলুদ কার্ডেই পেনাল্টি পেয়ে যায় ইকুয়েডর, আর তাতেই ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভ্যালেন্সিয়ার দল। 

এরপর প্রথমার্ধে আরো দুটি হলুদ কার্ড দেখে কাতার। ম্যাচের ২২ ও ৩৬ মিনিটে কার্ড দেখেন আল মোয়াজ আলি এবং কারিম বউদিয়াফ। এর কিছুক্ষণ পরেই ইকুয়েডরের কাইসেদো একটি হলুদ  কার্ড দেখলে প্রথমার্ধ শেষে ৪টি হলুদ কার্ড দেখাতে হয় রেফারিকে।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে ইকুয়েডরের খেলোয়াড় মেন্ডেজ ফাউল করে বসলে হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। এরপর ৭৮ মিনিটে কাতারের আকরাম আফিফ হলুদ কার্ড দেখলে ৬টি কার্ডের রেকর্ড হয় এই ম্যাচে। আর তাতেই ১৯৯৪ সালের উদ্বোধনী ম্যাচের পর সর্বোচ্চ কার্ডের ম্যাচে পরিণত হয় এবারের আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ। এর আগে ১৯৯৪ তে জার্মানি আর বলিভিয়ার ম্যাচে ৬ হলুদ কার্ডের পাশাপাশি একটি লাল কার্ডও দেখাতে হয়েছিলো রেফারিকে।