শিরোনামঃ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কার্ডের ছড়াছড়ি

#
news image

গতকাল কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ডের মুখ দেখলেন স্বাগতিক দেশ কাতারের গোলরক্ষক সাদ আল শিব। এই গোলরক্ষকের হলুদ কার্ডেই পেনাল্টি পেয়ে যায় ইকুয়েডর, আর তাতেই ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভ্যালেন্সিয়ার দল। 

এরপর প্রথমার্ধে আরো দুটি হলুদ কার্ড দেখে কাতার। ম্যাচের ২২ ও ৩৬ মিনিটে কার্ড দেখেন আল মোয়াজ আলি এবং কারিম বউদিয়াফ। এর কিছুক্ষণ পরেই ইকুয়েডরের কাইসেদো একটি হলুদ  কার্ড দেখলে প্রথমার্ধ শেষে ৪টি হলুদ কার্ড দেখাতে হয় রেফারিকে।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে ইকুয়েডরের খেলোয়াড় মেন্ডেজ ফাউল করে বসলে হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। এরপর ৭৮ মিনিটে কাতারের আকরাম আফিফ হলুদ কার্ড দেখলে ৬টি কার্ডের রেকর্ড হয় এই ম্যাচে। আর তাতেই ১৯৯৪ সালের উদ্বোধনী ম্যাচের পর সর্বোচ্চ কার্ডের ম্যাচে পরিণত হয় এবারের আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ। এর আগে ১৯৯৪ তে জার্মানি আর বলিভিয়ার ম্যাচে ৬ হলুদ কার্ডের পাশাপাশি একটি লাল কার্ডও দেখাতে হয়েছিলো রেফারিকে।

অনলাইন ডেস্ক

২২ নভেম্বর, ২০২২,  1:58 AM

news image

গতকাল কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ডের মুখ দেখলেন স্বাগতিক দেশ কাতারের গোলরক্ষক সাদ আল শিব। এই গোলরক্ষকের হলুদ কার্ডেই পেনাল্টি পেয়ে যায় ইকুয়েডর, আর তাতেই ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভ্যালেন্সিয়ার দল। 

এরপর প্রথমার্ধে আরো দুটি হলুদ কার্ড দেখে কাতার। ম্যাচের ২২ ও ৩৬ মিনিটে কার্ড দেখেন আল মোয়াজ আলি এবং কারিম বউদিয়াফ। এর কিছুক্ষণ পরেই ইকুয়েডরের কাইসেদো একটি হলুদ  কার্ড দেখলে প্রথমার্ধ শেষে ৪টি হলুদ কার্ড দেখাতে হয় রেফারিকে।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে ইকুয়েডরের খেলোয়াড় মেন্ডেজ ফাউল করে বসলে হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। এরপর ৭৮ মিনিটে কাতারের আকরাম আফিফ হলুদ কার্ড দেখলে ৬টি কার্ডের রেকর্ড হয় এই ম্যাচে। আর তাতেই ১৯৯৪ সালের উদ্বোধনী ম্যাচের পর সর্বোচ্চ কার্ডের ম্যাচে পরিণত হয় এবারের আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ। এর আগে ১৯৯৪ তে জার্মানি আর বলিভিয়ার ম্যাচে ৬ হলুদ কার্ডের পাশাপাশি একটি লাল কার্ডও দেখাতে হয়েছিলো রেফারিকে।