শিরোনামঃ
সুচনাকে মেয়র হিসেবে গ্রহন করলেন ঢাকাস্থ কুমিল্লা মহানগর নাগরিক ফোরাম কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচের নতুন নাম ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন গ্রীস ফেরত অসুস্থ বেলায়েত হোসেনের পাশে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাক এই প্রথম ইসরায়েলের কোনো নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর ব্যবসায়ীর আত্মহত্যার চেষ্টা ৪ মাসে গাজায় নিহত হয়েছে ১০ হাজার হামাস যোদ্ধা : ইসরায়েল তুরাগতীরে দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত আজ ১২শ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে প্যারিস খালে অভিযান শুরু মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইরানে মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জোড়া বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ১০৩

মেসির পেনাল্টিতে ফাইনালে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

#
news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।

স্পোর্টস ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর, ২০২২,  9:35 PM

news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।